৬ মে ২০২৬

নিউ হ্যাম্পশায়ারে প্রচলিত প্রথা ভোটে জো বাইডেন জয়ী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
নিউ হ্যাম্পশায়ারে প্রচলিত প্রথা ভোটে জো বাইডেন জয়ী
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যের প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী ডিক্সভিলে নচ গ্রামের মানুষ সোমবার স্থানীয় সময় প্রথম প্রহরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট দিয়েছেন। ৩ নভেম্বর প্রথম প্রহরে হেমলেট এলাকার বালসামস হোটেলের হেল হাউসে ডিক্সভিলে নচের ভোটাররা তাদের রায় জানিয়ে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে সেখানকার ভোটও গণনা করা হয়েছে। ফলও ঘোষিত হয়েছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন এ কেন্দ্রে পড়া ৫টি ভোটের সবই পেয়েছেন; ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাননি একটিও। মার্কিন নির্বাচনের রীতি অনুযায়ী, ডিক্সভিলে নচের বাসিন্দারা আগে ভোট দেবেন। সোমবার মধ্যরাতে কেন্দ্র খোলার পর পরই প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাররা বালসামস হোটেলের ‘ব্যালট রুমে’ জড়ো হন। সবার ভোট দেয়া শেষে গণনা হয় ব্যালট। এরপর ফল জানিয়ে দেয়া হয়। তবে এ কেন্দ্রের ফলের সঙ্গে সবসময় রাজ্যে কারা সবচেয়ে বেশি ইলেকটোরাল ভোট পেতে যাচ্ছে কিংবা কে হতে যাচ্ছেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট, তার আভাস পাওয়া যায় না। ২০১৬ সালের নির্বাচনে এ কেন্দ্রে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন জিতেছিলেন; নিউ হ্যাম্পশায়ারে সেবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ট্রাম্প সামান্য ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন। যদিও অন্য রাজ্যগুলোর ভোট তাকে ঠিকই হোয়াইট হাউসে পৌঁছে দিয়েছিল। ডিক্সভিলে নচের কাছাকাছি মিলসফিল্ডেও মধ্যরাতের পর পরই ভোট হয়েছে। সেখানে ট্রাম্প বাইডেনকে ১৬-৫ ভোটে হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে সিএনএন। সবার আগে ভোট হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছোট্ট গ্রামীণ শহর নচ কানাডার সীমান্তঘেঁষা। এখানকার বাসিন্দারা ‘ঐতিহ্যগতভাবে’ ১৯৬০ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবার আগে ভোট দিয়ে আসছেন। ডিক্সভিলে নচের পার্শ্ববর্তী মিলসফিল্ডেও রাতে ভোট শুরু হয়েছে। তবে একই ঐতিহ্য অনুসরণ করে আসা এই এলাকার তৃতীয় আরেকটি গ্রামে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এবার রাতের সময়ে ভোট দেয়া থেকে বিরত রয়েছে। কেন্দ্রটির ৪৮ ভোটারকে এবার দিনের বেলায় ভোট দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তারা। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি