নবীনগরে মাদক সেবনকারীর আত্মসমর্পণ

মোহাম্মদ জাকারিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে : "মাদক জীবন,পরিবার,সমাজ তথা গোটা দেশকে ধ্বংস করে দেয় এই কথাটা আব্দুর রহিম স্যার বলার পরে আমার মনে গেঁথে গেছে।আমি এখন থেকে আমার জীবন পরিবার ও সন্তানদের কথা চিন্তা করে মাদক মুক্ত হয়ে সুস্থ ধারায় জীবনযাপন করতে চাই।"
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর পুলিশ ফাড়িতে গতকাল রবিবার নূরনগর এলাকার বিটঘর গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডের আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে মো.হেলাল মিয়া(৩৮) এসে ইনচার্জ এস আই আব্দুর রহিমের কাছে আত্মসমর্পণ করে সংবাদিকদের কাছে ইয়াবা সেবনকারী মো.হেলাল মিয়া এসব কথা গুলো বলেন।তিনি আরো বলেন,"এতদিন অন্ধকারের জগতে ছিলাম এখন নিজের ভূল বুঝতে পেরেছি আশা করি আমার বাকী জীবনটা ভাল হয়ে থাকতে পারব।যারা ইয়াবা সেবন করে তাদেরকে অনুরোধ করে বলব তারা যেন আমাকে অনুসরণ করে এস আই আব্দুর রহিম স্যাররে আহবানে সাড়া দিয়ে সুস্থ ধারায় ফিরে আসে। তিনি সুস্থ ধারায় ফিরে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এস আই আব্দুর রহিম সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
"চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে" প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্লোগানে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে এখন সারাদেশে মাদক অভিযান চলছে।পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনানুযায়ী যারা মাদক সেবন বন্ধ করে সুস্থধারায় ফিরে আসতে চায় তাদেরকে সুযোগ করে দেওয়া অংশ হিসেবে শিবপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নূর নগরের বিভিন্ন জনসচেতনামূলক সভায় মাদক সেবনকারীদেরকে এই সাধারণ ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাড়িতে এসে এস আই আব্দুর রহিমের কাছে এসে মো.হেলাল মিয়া আত্মসমর্পণ করলেন।হেলাল মিয়া স্বীকার করেন যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা সেবন সহ বিক্রয় করে আসছিলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পের এ এস আই মশিউর রহমান,সাংবাদিক হেফজুল বাহার,সাংবাদিক হেদায়েত উল্লাহ,সাংবাদিক মাসুম মির্জা,সাংবাদিক মো.খাইরুল এনাম,সাংবাদিক সাজু আক্তার প্রেমা সহজ আরো অনেকে।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি