৬ মে ২০২৬

মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে ৯ শতাংশের ঘরে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১০:২৪ পিএম
মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে ৯ শতাংশের ঘরে

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেল। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ আরেক দফা বাড়ল।

বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ।

টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চে মূল্যস্ফীতি কমেছিল, এখন এপ্রিলে আবার বাড়ল। এর মানে হলো, গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি ছিল।

গত ১৯ এপ্রিল সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা ও পেট্রলের দাম ১১৬ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলে। জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দেয়। পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ায়। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গ্রাম-শহরনির্বিশেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি এখন ৯ শতাংশের বেশি।

মূল্যস্ফীতি বাড়লে সীমিত ও মধ্য আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়ে। আয় না বাড়লে তাদের সংসার চালানের খরচ বেড়ে যায়।

গত দুই সপ্তাহে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে শাকসবজির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। মাছ-মাংসের দামও বাড়তি। তবে চালের দাম স্থিতিশীল আছে। গত এপ্রিল মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার হয়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। এর মানে হলো, যত মূল্যস্ফীতি হয়েছে, এর চেয়ে মজুরি কম বেড়েছে। ফলে বাজার থেকে পণ্য কিনতে ভোগান্তি বাড়ছে।

মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় বৃদ্ধি কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়। মূল্যস্ফীতির তুলনায় আয় না বাড়লে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয় কিংবা খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে কাটছাঁট করতে হয়।

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই নির্দিষ্ট মাসে মূল্যবৃদ্ধি হয়তো কিছুটা কম হয়েছে, এটাই বোঝায়।
বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি