
সুলতানা মাসুমা, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: প্রসূতির অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল গফ্ফার রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে অস্ত্রোপচার (সিজার) করেছেন। প্রসূতি চাঁদনী বেগম (২৪) জন্ম দিয়েছেন একটি মেয়েসন্তান। তেরো বছরে এ হাসপাতালে এটি দ্বিতীয় সিজার।
রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্ম হয় শিশুর। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ওই প্রসূতি প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
চাঁদনী বেগম রামগতি উপজেলা চরআলগী ইউনিয়নের চরটগবী গ্রামের মোহাম্মদ মোহসিনের স্ত্রী। সন্তান প্রসবের পর থেকে প্রসূতি মা ও নবজাতক সুস্থ আছেন। জন্মের সময় শিশুর ওজন ছিল তিন কেজি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামনাশীস মজুমদার বলেন, ওই প্রসূতি হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবের চেষ্টা করা হয় কিন্তু সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল গফ্ফার নিজেই লক্ষ্মীপুর থেকে ছুটে এসে অস্ত্রোপচার (সিজার) করেন। এ সময় সহযোগিতায় সঙ্গে ছিলেন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইকবাল হোসেনসহ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সরা।
প্রসূতির স্বামী মোহাম্মদ মোহসিন বলেন, স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছি। করোনা পরিস্থিতির এ সময়ে কী করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। কিছু বুঝে উঠার আগেই সিভিল সার্জন লক্ষ্মীপুর থেকে এসে অস্ত্রোপচার (সিজার) করেন। আমি কন্যাসন্তানের পিতা হয়েছি। আমি সব চিকিৎসকের কাছে কৃতজ্ঞ।
লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল গফ্ফার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ওই প্রসূতিকে এ অবস্থার মধ্যে অন্যত্র নেওয়া ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। খবর পেয়ে রামগতি এসে অস্ত্রোপচার করি। এ সময় একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়েছে। মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]