
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে পাওনা টাকা চাওয়াতে সঙ্গবদ্ধ হয়ে দোকানে হামলা করে দোকানদারকে মেরে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও দোকানের বিপুল পরিমাণ মালামাল নষ্ট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে ও কমলনগর উপজেলার ৪নং চরমার্টিন ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী এলাকার।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায় গেছে- চরভূতা রাস্তারমাথা নামক স্থানে সার ও কীটনাশকের দোকান মো:নিজাম ট্রেডার্সের মালিক মোহাম্মদ নিজাম হোসেন ৪নং চর মার্টিন এলাকার ইসমাইলের বাড়ির ইউসুফের হোসেনের ছেলে রিপন ও সবুজের কাছে ৫১,০০০/ (একান্ন হাজার) টাকা পাওনা রয়েছে। বাকি টাকা চাওয়াতে তর্ক বিতর্ক হয়। এতে ২৩ জুলাই শুক্রবার রাত সাড়ে ১১,৩০ আটটার দিকে রিপন সঙ্গীয় মুসলিমের ছেলে চৌধুরী, দুলাল, ইসমাইল, ইব্রাহিম, সালাউদ্দিন ও নুরুল আলম আরো অজ্ঞাত ১০ থেকে ১৫ জন সংঘ বদ্ধ হয়ে দোকানে হামলা চালায়।
তাদের হাতে থাকা স্টিলের লাইট, স্প্রে মেশিনের হ্যান্ডেল ও বাঁশ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে নিজাম হোসেন কে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় হামলা কারীরা দোকানের কাছে থাকা নগদ ১এক লক্ষ ২০, বিশ হাজার টাকা বিকাশের দুইটি বাটন মোবাইলে ফোনে থাকা ৪০, হাজার টাকা ও প্রায় ৮০, হাজার টাকার সার কীটনাশক ধ্বংস করে।নিজামের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। লক্ষ্মীপুর- কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ভর্তি রেজি নং-১১৩৮২/৩৯।এই বিষয়ে অভিযুক্ত চৌধুরি, দুলাল, ইব্রাহিমের, এর সাথে যোগাযোগ করলে তারা কোনো বক্তব্য দেয়নি।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম বলেন, চৌধুরী দুলাল ইব্রাহিম প্রকাশ্যে রাত্রে অন্ধকারে ১০, দশ থেকে ১৫,জন সন্ত্রাসী বাহিনী ক্যাডার বাহিনী দিয়ে দোকান হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে টাকা পয়সা নিয়ে যায় আমি নতুন করে কি বলব আর এরা সমাজের অসহায় মানুষের উপরে বিভিন্ন সময় জুলুম করে আসছে এরা সমাজে মান্যগণ্য কাউকে পরোয়া করে না।
মোঃ আব্দুল আলী বিশিষ্ট সমাজ সেবক তিনি এ কথা বলেন।চৌধুরী, দুলাল, ইসমাইল, ইব্রাহিম, এরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গাতে দোকানপাট বাড়িঘর ভাঙচুর চাঁদাবাজি চুরি ডাকাতি করে। এরা সমাজে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত। এরা এসব করে বেড়ায়।
মো: শাহজাহান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সহ এই বিষয়ে নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনেকে গণ্যমান্য ও সমাজসেবক রাজনীতিবিদ বক্তব্য দিয়েছেন সমাজের এরা উশৃংখল মানুষ। ১৭নং ভবানীগঞ্জ ইউপি সদস্য মো: নুরুল ইসলাম রাত্রে ঘটনাস্থলে যায়এবং মো: নিজামকে আশ্বাস দেয়। আমি এই বিষয়টি সমাধা করে দিবো। ১এক/ ২ দুই বার তারিখ দেয় এরপর ইউপি সদস্য মো: নুরুল ইসলাম নিজামকে বলেন আমি অনেক অনেক বার চেষ্টা করেছি স্থানীয়ভাবে সমাধা করার কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। তোমরা আইনগত ব্যবস্থা নাও।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা ওসি মো: জসিম উদ্দিন এক কথায় বলেন। পুলিশ মো: রিপন নামের একজন কে গ্রেপ্তার করেন।বাকীদেরকে গ্রেফতারে চলমান রয়েছে।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]