
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও লক্ষ্মীপুরে চলছে যানবাহন। ছোটখাটো পিকআপ, ভ্যান, অটো, সিএনজি, রিকশা, ব্যাটারি রিকশা ইত্যাদি যানবাহন। পুলিশ রাস্তায় থাকা সত্ত্বেও সড়কগুলিতে অল্প সংখ্যক যানবাহনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
মাঝেমধ্যে সেনাবাহিনীর গাড়ি দেখা গেলে- দু-একটা গাড়ি এদিক-সেদিক ঢুকে পড়ে। সেনাবাহিনীর গাড়ি চলে গেলে আবার তারা সড়কে সরব হয়।
কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত ১৪ দিন কঠোর লকডাউনের আদলে বিধিনিষেধের তৃতীয় দিন রোববার লক্ষ্মীপুরে লকডাউন ঢিলেঢালা ভাবে পালন করা হয়েছে।
সকাল থেকে দূরপাল্লার কোনো যাত্রীবাহী পরিবহনের বাস চলাচল না করলেও শহরের বিভিন্ন স্থানে সীমিত পরিসরে ছোট-বড় অটোরিকশা ও পিকআপ ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছেন র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।
এদিকে জনগণকে প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের না হতে ও মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা চালাচ্ছেন র্যাব-১১ সদস্যরা। বিধিনিষেধের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষেরা। লক্ষ্মীপুর জেলার শহরের অধিকাংশ ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত খোলা থাকলেও লেনদেন তেমন একটা হয়নি। সকাল থেকে মজুচৌধুরী হাট ফেরিঘাট ও বাস টার্মিনালগুলোয় যাত্রীদের আনাগোনা দেখা গেলেও কোনো যাত্রীবাহী বাস ও লঞ্চ ছেড়ে যায়নি।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, লকডাউন কার্যকর করতে জেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে কয়েকটি টিম কাজ করছে।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]