৫ মে ২০২৬

লেপ-তোষক তৈরিতে রুহিয়ায় ব্যস্ত কারিগররা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
লেপ-তোষক তৈরিতে রুহিয়ায় ব্যস্ত কারিগররা
দুলাল হক, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: সকালে ঘাসের ডগায় শিশির ভেজা মুক্তকণা জানান দিচ্ছে শীতের । দেশের উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থান হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে বরাবরই শীতের প্রকোপ একটু বেশিই থাকে।এবারও আগেভাগেই শীত পড়েছে এখানে।সন্ধ্যা নামলেই গায়ে জড়াতে হচ্ছে গরম কাপড়। ফলে শীত নিবারণে এ জেলার মানুষের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। শীত জেঁকে বসার আগেই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার প্রত্যয়ন্ত অঞ্চলে লেপ তোষক তৈরির ধুম পড়েছে। ক্রেতারা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন লেপ-তোষকের দোকানে । আর তাই লেপ তোষক তৈরিতে বেশ ব্যস্ত সময় পাড় করছেন রুহিয়া থানার কারিগররা। সরেজমিনে ঘুরে দখা যায়, উপজেলার ছোট বড় হাট বাজার গুলোতে লেপ-তোষক প্রস্তুতকারি বিভিন্ন দোকান মালিক - শ্রমিক,ধুনাইকাররা এখন তুলাধুনায় ও লেপ-তোষক তৈরি সেলাইয়ের কাজে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। লেপ-তোষকের দোকান গুলোতেও বাড়ছে ক্রেতাদের আনাগোনা। লেপ তৈরির অর্ডারও দিচ্ছেন অনেকে। ধনক-কারিগর মনছুর আলী বলেন,দিন যতই গড়াচ্ছে শীতের তীব্রতা ততই বেশি বাড়ার আশংকায় উপজেলা সদর সহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নতুন নতুন লেপ তৈরি করছে। বছরের অন্যান্য সময় বেচাকেনা কম হলেও শীত মৌসুমে বিক্রি কয়েক গুন বেড়ে যায়। প্রতিদিন গড়ে ৮-১০ টি লেপ তৈরির অর্ডার পাচ্ছেন বলে জানান তিনি। লেপ-তোষক ব্যবসায়ী উপজেলার রুহিয়া থানার রামনাথ বাজারের তাহের তুলা ঘর এর মালিক তাহেরুল ইসলাম বলেন,এমাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রচুর লেপ-তোষক তৈরির অর্ডারও পাচ্ছি। কাজ সামাল দিতে অতিরিক্ত কারিগর রেখে দিয়েছি।চেষ্টা করছি সঠিক সময়ে গ্রাহকদের কাছে পণ্য ডেলিভারি দিতে পাড়বো। অর্ডার নেওয়ার পাশাপাশি অগ্রিম কিছু লেপ,বালিশ, তোষক বানিয়ে রেখেছি। ক্রেতাদের কাছে এসব রেডিমেট হিসেবে বিক্রিকরে থাকি। তিনি জানান, মজুরি হিসেবে বালিশ প্রতি পিস ২০ টাকা,লেপ দুই‘শ থেকে তিন‘শ টাকা,তোষক তিন‘শ থেকে চার‘শ টাকা হারে নেওয়া হয়। কারিগর মনছুর আলী বলেন, কাজের চাপ বাড়ায় কারিগরদেরও চাহিদা বেড়েছে।এখন প্রতিদিন ১ হাজার টাকা মজুরি পাচ্ছি। শীতের তীব্রতা বাড়লে কাজের চাপ আরোও বাড়বে তখন মজুরিও বাড়বে।দেশের সর্ব উত্তরে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়ে বরাবরই শীতের প্রকোপ একটু বেশিই থাকে। শীতকালে বেশির ভাগ সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকে এ জেলায়। এবারও আগেভাগেই শীত পড়েছে এখানে। বেশ কিছুদিন ধরে অনুভূত হচ্ছে শীত। হিমালয় থেকে আসা হিমেল হাওয়া সেই সঙ্গে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা পড়ে থাকে পুরো জেলা। সন্ধ্যা নামলেই গায়ে জড়াতে হচ্ছে গরম কাপড়। ফলে শীত নিবারণে এ জেলার মানুষের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। অনেকেই তৈরি করছেন নতুন লেপ-তোষক। ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি