লালমোহনে ডায়রিয়া আক্রান্ত শত শত রোগী, ১ জনের মৃত্যু

নজরুল ইসলাম (শুভ রাজ), ভোলা থেকে : ভোলা জেলার লালমোহন সরকারি হাসপাতালে পা রাখার যায়গানেই এক সীটে ৩ থেকে ৪ জন করে থাকার পরেও নিচে মেঝেতে শুয়ে আছে রুগী। কিন্তু কি করবে ডাঃ আর সিস্টার?
পুরো হাসপাতালে একজন ডাঃ চসে বেড়ায়, নার্সরা ৬ ঘন্টার ডিউটি করছে ১০ ঘন্টা, আসছে শত শত রুগী। ডাঃ মহসিন দীর্ঘ দিনের সমলোচনায় থাকলেও ধৈর্যের মহা আদর্শ দেখিয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে।
আজ সকাল থেকে হাসপাতালে থাকা এক রুগী সাথে কথা বলে যানা যায় ডাঃ মহসিন সারাদিনই নিচ তলা, ২য় তলা, তয় তলায় সময় কাটাচ্ছে। দুটুরে খেয়েছেন কিনা যানিনা বলে জানান।
এমনটা শুনার পরেই ১০/৪/২০১৯ই তারিখে দেখতে যাওয়া রাত ১০ টায়। তখনও রুগীদের সেবা দিচ্ছেন ডাঃ মহসিন, রুগী আসছে আর দেখছে, এভাবেই একা কাটছে রুগীদের সেবাদান। বর্তমান রুগীরা বলছেন আল্লাহ তার মঙ্গল করুক।
ডাঃ মহসিন বলেন আমি একা ইমার্জেন্সিতে রুগী দেখি, নতুন ভর্তি হওয়ার পর দেখি, আবার পুরনো রুগী দেখি, এ হাসপাতালে জনসংখ্যা অনুযায়ী ৫ জন ডাঃ প্রয়োজন। তবে আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করে যাচ্ছি, যতো দিন আছি যতো দিন বাচিঁ ততো দিন এভাবেই মানুষের সেবা দিয়ে যাবো।
তিনি আরো বলেন স্থায়ী সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি স্যার আমাকে মানুষের সেবা করার জন্য বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করে থাকেন, এজন্য এমপি স্যারকে ধন্যবাদ জানাই কারন উনি যেখানেই থাকেন সব সময় জনগনের সেবা দানের জন্য খোজ খবর রাখেন। রুগীদের দাবী ভোলা জেলা সিভিলসার্জন যেনো দূর্তব্যবস্থা গ্রহন করেন। এবং ডাঃ মহসিনের মতো ডাঃ এখানে পাঠায়।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি