লালমনিরহাটে চৌকস এসআই মাইনুলের কৌশলে মাদক ব্যাবসায়ীরা কুপকাত
মো: মামুনুর রশিদ (মিঠু) লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশ মাদক দ্রব্য উদ্ধারে ব্যাপক তৎপরতা চলিয়ে যাচ্ছে। মাদক দ্রব্য উদ্ধাররে শহরের বিভিন্ন স্থানে পয়েন্টে পয়েন্টে বসিয়েছে চেক পোষ্ট। নিত্য নতুন কৌশলে চালাচ্ছে মাদক বিরোধী অভিযান। অনেক মাদক ব্যাবসায়ী মাদক ব্যাবসা ছেড়ে ছুটছে আলোর পথে। অনেকে রিক্সা,অটো,কৃষি সহ বিভিন্ন পেশায় ভালই দিন কাটাচ্ছে। এরই আলোকে সদর থানার চৌকস এস,আই মাইনুল ইসলাম একের পর এক মাদক উদ্ধারে বেশ চ্যাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে বিপুল পরিমানের মাদক দ্রব্যর। এসআই ময়নুল ইসলাম এর অভিযানের মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল অভিযান চালিয়ে তিস্তা সড়ক সেতু এলাকায় মাদক ব্যাবসায়ীর অবস্থানের কথা টের পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাজা উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে। মামলা নং ৬৪। এ মামলায় আসামী গ্রেফতার করে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার পাইটকাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম এর পুত্র এনামুল হককে। পরবতীতে সদর থানার এস আই মাইনুল ইসলাম গত ২রা মার্চ সঙ্গীও ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউয়িনে গাজাসহ স্যালো মেশিন ও নৌকা উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে সদর থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে মামলা নং: ৪ । এছাড়াও গত ৩রা মে অভিযান চালিয়ে সে গাজা উদ্ধার করে। এসময় কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি থানার আজোয়াটারী গ্রামের মোস্তফা মিয়ার পুত্র আলিফ মিয়া ও ছিট চন্দ্রখানা গ্রামের নবেজ উদ্দিনের পুত্র মন্টু মিয়াকে গ্রেফতার করে। এ ব্যাপারে সদর থানায় মাদক দ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে মামলা নং: ৬। সদর চৌকস পুলিশ অফিসার এস আই মাইনুল অভিযান পরিচালনা করে গত ৩০ শে এপ্রিল ৪ কেজি গাজা সহ তিস্তা সড়ক শেতু এলাকায় গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এনামুল হককে গ্রেতার করে।
এছাড়াও গত ৩০ এপ্রিল একই দিনে এসআই মাইনুলের নেত্রীত্বে মাদক দ্রব্য সহ কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারি রমনা এলাকার দেলোয়ার হেসেনের পুত্র আবু তালেব ও রংপুর তাজহাটের জয়নাল আবেদিনের পুত্র সাদ্দাম হোসেন কে গ্রেফতার করেন। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং: ৬২। এছাড়াও একই দিনে তিস্তা রেলওয়ে ব্রীজ এলাকা থেকে ২১ কেজি গাজা সহ কুড়িগ্রাম রাজারহাট ছিনাই এলাকার মৃত মোবারক আলীর পুত্র তাজুল ইসলামকে গ্রেফার করেন। এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। মামলা নং: ৬৩। চৌকস অফিসার হওয়ায় মাদক ব্যাবসায়ীদের অবস্থান বুঝতে পেরে দ্রুত উদ্ধার করে মাদক। এছাড়াও লালমনিরহাট সদর থানায় যোগদানের পর থেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনে ও অপরাধ দমনে রেখেছেন বিষেশ ভ’মিকা। মাদক উদ্ধারে বেশ সাফল্য রয়েছে এসআই মাইনুল ইসলামের।
এর জন্য পুলিশের বিভিন্ন স্থরের পুরুস্কারে হয়েছেন ভুষিত। মাদক বিরোধী আন্দোলনে অবদান রাখতে পারায় তার অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বাংলাপ্রেশ কে বলেন, পুলিশ সুপার লালমনিরহাট মহাদয়ের অনুপ্রেরোনায় ও নিজের দ্বায়ীত্ববোধ থেকে কাজ করে যাচ্ছি। শুধু মাদক নয় সমাজে যে কোন অসঙ্গতী আমার চোখে পড়লে প্রতিহত করার চেষ্টা করবো। এসআই মাইনুল ইসলামের ধারাবাহিক সাফল্য চলমান থাকবে মাদক বিরাধী আন্দলনে সম্পিৃক্ত সহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়জন। পুলিশ সুপার এস.এম রশিদুল হক জানান, মাদক এর বিরুদ্ধে পুলিশ জিহাদ ঘোষনা করেছে। সকল পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে কোন ভাবে মাদক কে ছাড় দেওয়া হবে না।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি