৪ মে ২০২৬

করোনায় আক্রান্ত মুশফিকুরের বাবা-মা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
করোনায় আক্রান্ত মুশফিকুরের বাবা-মা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চলমান জিম্বাবুয়ে সফরে টি-২০ সিরিজ না খেলে দেশে ফিরবেন বলে বিসিবিকে দিয়েছিলেন চিঠি। মঙ্গলবার সে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে টি-২০ দলের সঙ্গে থেকে যাচ্ছেন মুশফিকুর রহিম। গণমাধ্যমে এই নিউজটিও এসেছিল। ওয়ানডে সিরিজের জন্য কদিন সিরিয়াস অনুশীলন করেছেন। হাতের চোটটাও উপশম হয়েছে তার। সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৮৪, ১২৫, ৩৪ রানের তিনটি ইনিংসে ম্যান অব দ্য সিরিজে ভূষিত মুশফিকুর রহিম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগের তিনটি ম্যাচকে নিয়েছিলেন সিরিয়াসলি। তার প্র্যাকটিসের ভিডিও ফুটেজও পাঠিয়েছে বিসিবি। তবে পারিবারিক কারণে দলের সঙ্গে থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না। টিম ম্যানেজমেন্টকে বিষয়টা জানিয়ে আজ (বুধবার) হারারে থেকে ঢাকার ফ্লাইট ধরছেন মুশফিক। বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে- ‘বাংলাদেশ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম পারিবারিক কারণে জিম্বাবুয়ে সফর মিস করছেন।আজ মুশফিক হারারে ছেড়ে ঢাকার দিকে যাত্রা করছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড মুশফিক ও তার পরিবারের একান্ত প্রয়োজনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আছে বোর্ড।’ পারিবারিক কারণ বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না করলেও মুশফিকুর রহিমের বাবা-মা দুজনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বগুড়া থেকে ঢাকায় রওয়ানা দিয়েছেন। জিম্বাবুয়ে অবস্থানকালে এ খবর শুনে উদ্বিগ্ন মুশফিক আর সেখানে থাকতে চাননি। তাকে দ্রুত রিটার্ন টিকেট কেটে উঠিয়ে দেয়া হয়েছে ঢাকার ফ্লাইটে। বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন বিসিবির একাধিক সূত্র। জিম্বাবুয়ে সফরটা এবার অস্বস্তিতেই কেটে গেল মুশফিকুর রহিমের। ঢাকা লিগে পাওয়া চোট থেকে সেরে ওঠার আগে ব্যাটিংয়ে নেমে টেস্টে ১১ রানে থেমেছে তার ইনিংস। পেয়েছেন আঙুলে আবার চোট। এই চোট নিয়ে ওয়ানডে সিরিজে খেলবেন বলে ছিলেন প্রতিজ্ঞ। কিন্তু বাবা-মা'র কভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার খবর শুনে ফিরতে হলো সিরিজের মাঝপথে। আগামী আগস্টের ৩ তারিখ থেকে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ৫ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। বাবা মা'র শয্যাপাশে থাকলে এই সিরিজটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে তার। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি