কম্বল নিয়ে হাসপাতালে লালমনিরহাটের ডিসি
মোঃ মামুনুর রশিদ (মিঠু), লালমনিরহাট থেকে: হিমালয়ের পাদদেশের জেলা লালমনিরহাটে টানা ৫ দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই । শনিবার ২১ ডিসেম্বর দিনভর কুয়াশার ঘনত্ব কমে গেলেও কয়েকগুন বেড়েছে হিমেল হাওয়া। কুয়াশার ঘনত্ব কমলেও হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়েপড়েছে উত্তরাঞ্চলের ছিন্নমুল মানুষ। ঠান্ডা জনিত রোগে হাসপাতালে বেড়েছে রোগীর ভিড়। রোগীদের জন্য কম্বল নিয়েহাসপাতালে হাজির লালমনিরহাটের জেলাপ্রশাসক আবু জাফর।
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতেহাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন জেলাপ্রশাসক। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। আগুন পোহানোর সময় আহত চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী সুমি আক্তারের (১০) খোঁজ খবর নেন ও ৫ হাজার টাকা নগদ অনুদান দেন জেলা প্রশাসক আবু জাফর। এরপর তিনি স্থানীয় এতিমখানার শিশুদের মাঝেও কম্বল বিতরণ করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ফেরদৌস আলম। এদিকে তীব্র শীতে খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরেই যাচ্ছে নামানুষ। গরম কাপড়ের দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। বিশেষ করে ফুটপাতে কম দামের গরমকাপড় কিনতে ভিড় করছেন ছিন্নমুল মানুষেরা। গত কয়েক দিনের ঘনকুয়াশায় সবজিসহ বোরো বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষকদের দাবি। কুয়াশায় বোরো বীজতলা মওে যাওয়ায় আসন্ন বোরো চাষাবাদ নিয়েচিন্তিত কৃষকরা।
লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যহত রয়েছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামে হাট-বাজার- স্টেশন ও ফুটপাতে আশ্রয় নেওয়া ছিন্নমুল মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণকরছেন। জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ছিন্নমুল মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল দেওয়া হচ্ছে। এটা আগামী দিনেও অব্যহত থাকবে।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি