কাতার বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে মদ্যপান নিষিদ্ধ
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্কঃ মুসলিম দেশ কাতারে হচ্ছে এবারের ফিফা বিশ্বকাপ। ফুটবল স্টেডিয়ামে সমর্থকদের বিয়ার খেয়ে উল্লাস নিয়মিত ঘটনা। কিন্তু কাতারে জনসম্মুখে মদ্যপান নিষিদ্ধ। এবারের বিশ্বকাপেও স্টেডিয়াম প্রাঙ্গনে অ্যালকোহলিক কোনো পানীয় নেওয়া যাবে না। তবে আয়োজক দেশের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে, নির্দিষ্ট কিছু স্পটে সমর্থকদের জন্য বিয়ার ও অ্যালকোহলের ব্যবস্থা রাখছে ফিফা।
মুসলিম রাষ্ট্র কাতার। যে দেশের সংস্কৃতিতে মদ বা অ্যালকোহলিক কোনো পানীয় নিষিদ্ধ। জনসম্মুখে তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপে আধিপত্য লাতিন ও ইউরোপীয় দেশগুলোর। আবহাওয়াজনিত কারণে অ্যালকোহল পান অনেক অঞ্চলে দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের অংশ। স্টেডিয়ামে বিয়ার হাতে মাতোয়ারা হন ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা।
কাতার মুসলিম দেশ হওয়ার কারণে, এবারের বিশ্বকাপে সেই প্রথা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভক্ত সমর্থকরা স্টেডিয়ামের ভেতর বিয়ার বা অ্যালকোহলিক কোনো পানীয় নিতে পারবে না।
বিশ্বকাপ দেখতে আসা এক দর্শক জানান, আমাদের এই দেশের নিয়ম মেনে চলা উচিত। যখন আমরা ফ্রান্স বা আমেরিকায় যাই, তখন কিন্তু সেখানকার প্রথা মেনেই চলি। আমার ভিন্ন মত থাকলেও কিছু করার নেই সেখানে।
দর্শকের ভাষ্যমতে, খেলা ঘিরেই দর্শক-সমর্থকদের আনন্দ হওয়া উচিত। আয়োজক দেশের সংস্কৃতির প্রতি সম্মান রাখতে হবে। মুসলিম দেশগুলোর অনেকেই পরিবার নিয়ে ম্যাচ দেখতে আসবে। আমি অবশ্যই চাইবো না, স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মাতাল কারো সঙ্গে খেলা উপভোগ করতে।
ফিফার অফিসিয়াল স্পন্সর বাডওয়াইজার। আমেরিকান এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী অ্যালকোহলিক পানীয়র জন্য বিখ্যাত। আর্থিক চুক্তি ও সমর্থকদের কথা বিবেচনায় রেখে, বিকল্প উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। আয়োজনকের সাথে আলোচনা করে, নির্দিষ্ট কিছু স্থানে বাডওয়াইজারের পানীয় পানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কাতার বিশ্বকাপের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কলিন স্মিথ জানান, অ্যালকোহলিক পানীয় বিশ্বকাপে থাকবে। তবে লাইসেন্সধারী স্টলে। কিছু ফ্যান জোনে এর ব্যবস্থা থাকবে। স্টেডিয়ামের ভেতর গ্যালারিতে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ থাকার কারণে, এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
কাতারে ফিফা নমনীয় হলেও, ২০১৪ বিশ্বকাপে চিত্র ভিন্ন ছিল। আয়োজক ব্রাজিল নিয়ম পরিবর্তন করে, স্টেডিয়ামের ভেতর অ্যালকোহল বিক্রির অনুমোদন দিতে বাধ্য হয়।
বিপি>আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি