জোড়াবাড়ীতে ৪টি পরিবারের উপর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) থেকে: নীলফামারী ডোমার জোড়াবাড়ীতে ৪টি পরিবারের ১১জন অসহায় মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে এক সাবেক সেনা সদস্যর উপর। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএসসি পাড়া গ্রামের মৃত ফজল উদ্দিন (আবুল দাড়িয়া) র ছেলে সাবেক সেনা সদস্য জাকারিয়ার সাথে একই গ্রামের মৃত ইব্রাহিম আলী বাচ্চাউয়ের ছেলে শুকুর আলী ও বাবলুর পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে শত্রুতা চলে আসছে। এরই জেরধরে গত ২৩ মে শুকুর আলীর স্ত্রী মেরী ও রতনের স্ত্রী শাপলা গ্রামের রাস্তায় ধান শুকানোকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষে ঝগড়া বিবাদ হয়। যার কারণে বাটপার জাকারিয়া রাস্তায় শুকানো ধান গুলো পাশের জমিতে পানিতে ফেলে দেয়। মেরী ও শাপলা প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বেধরক মারপিট করে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়।
তাদের চিৎকারে শাপলার স্বামী রতন ও তার ভাই রিপন এগিয়ে এলে জাহিদুলের ছেলে মানিক ও জাকারিয়ার স্ত্রী লিপিসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন মিলে শাঠি শোটা ও দা দিয়ে মেরী, শাপলা, রতন, হাজেরা ও রিপনকে বেধরক মারপিট করে। জাকারিয়াদের নির্যাতনের ফলে মেরী, শাপলা, রতন ও রিপন গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। অপরদিকে নিজের গাঁ বাচাঁতে জাকারিয়া ওই রাতেই ডোমার থানায় অসহায় ৪টি পরিবারের ১১জন সদস্যকে আসামী করে বিভিন্ন ধারায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে, মামলা নং-১৭, তারিখ-২৪/০৫/১৯। তাৎক্ষণিক ভাবে পরদির সকাল ১০টায় ডোমার থানার করিত কর্মা এএসআই ইবনে দায়িদ মামলার ৩নং আসামী শুকুর আলী (৫২) কে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠায়। এবিষয়ে এএসআই দায়িদ বলেন, রাতে মামলা রেকট হয়েছে।
সেই ভিত্তিতে আসামী গ্রেফতার করে করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার কারণে ৪টি পরিবারে ২৫জন নারী পুরুষ আতংকে দিনাতিপাত করছে। ভুক্তভুগী পরিবারের রতন আলী বলেন, আর্মি জাকারিয়া একজন দাদন ব্যবসায়ী এক মাত্র আমাদের পরিবার ছাড়া এলাকার অনেক গরীব মানুষ তার কাছ থেকে চড়া সুদে ধান ও টাকা নিয়েছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার ক্ষমতার দাপট দেখীয়ে আমাদের পরিবারের লোকজনকে মারধর করেছে এবং যার ফলে আমার স্ত্রী শাপলার পেটে লাথি মেরে সন্তান গর্ভপাত ঘটায়। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসা হয়। এরই জের ধরে সামান্য বিষয় নিয়ে আমাদের উপর নির্যাতন চালায় তারা। মৃত কেফার উদ্দিনের ছেলে মিন্টু জানান, জাকারিয়া আর্মি ক্ষমতা দেখীয়ে এলাকার সহজ সরল অসহায় মানুষের উপর প্রায় সময় শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন চালায়। তার অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছি। আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়ায় আতংকে রয়েছি। তার অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভুগী পরিবার।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি