৭ মে ২০২৬

ঝিনাইদহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলামের হালচাল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
ঝিনাইদহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলামের হালচাল

ঝিনাইদহ থেকে সংবাদদাতা : ঝিনাইদহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলাম টাকা নিয়ে চুক্তিপত্রে সাক্ষর করছেন না বলে নতুন করে আবার অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে অভ্যন্তরীণ চাল সংগ্রহ অভিযান। যা চলবে আগামী ৩১আগস্ট পর্যন্ত। এ অভিযানে জেলায় ৬ উপজেলার মিলারদের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১৫ হাজার ৯২৭ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিলারদের জিম্মি করে টন প্রতি নির্দিষ্ট হারে টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন মিলাররা। জেলার শৈলকুপা উপজেলার ভাটই বাজারের দেশ আটো’র মালিক টিপু সুলতান বলেন,‘চলতি মৌসুমে সরকারি খাদ্য গুদামে ৬৫০ টন চাল বিক্রির বরাদ্দ পেয়েছেন। তার বরাদ্দ পাওয়া চাল খাদ্য গুদামে বিক্রি করতে খাদ্য নিয়ন্ত্রককে টন প্রতি ৬০০ টাকা হিসাবে মোট তিন লাখ ৯০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বরাদ্দপত্রে স্বাক্ষর করেননি জেলাখাদ্য নিয়ন্ত্রক।’

একই এলাকার আরেক মিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে গেলে ডিসি ফুড স্যার সিরিয়ালে রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। এক এক করে গিয়ে তার কাছে টাকা দিয়ে আসতে হয়েছে। সদর উপজেলায় চাল ব্যবসায়ী মোকাদ্দেস হোসেন বলেন, ‘মিলারদের কাছ থেকে চাল বিক্রির সিদ্ধান্ত খুবই ভালো উদ্যোগ।

কিন্তু এখানকার ডিসি ফুড এগ্রিমেন্ট করতে গেলে টন প্রতি সদর উপজেলায় ৫০০ টাকা ও সদরের বাইরে টনপ্রতি ৬০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে তিনি এগ্রিমেন্ট করছেন না।’ জেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘জেলার চাল ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন কারণে দিনের পর দিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ চাল সংগ্রহের কারণে লোকসান কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারছেন। কিন্তু চাল বিক্রির লাভের অংশ ঘুষ দিতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে মিলাররা পথে বসবে।’ জেলা কৃষক লীগের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম সোম বলেন, ‘জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক যে ঘুষ নিচ্ছেন- সে ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত চাই। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক নকীব সাদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অন্যায় আবদার রাখা হয়নি বলে কয়েকটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। জেলা অফিসে এসে মিলাররা নিয়ম অনুযায়ী এগ্রিমেন্ট করছেন। তাদের কাছ থেকে কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না।’

বিপি।আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি