জবির ফটকের লেগুনা স্ট্যান্ড ফের উচ্ছেদ, ফটক অবমুক্তকরণ

জবি থেকে সংবাদদাতা : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দক্ষিণ ফটকে গড়ে ওঠা অবৈধ লেগুনা স্ট্যান্ডে ফের ভাঙচুর চালিয়ে উচ্ছেদ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এসময় দক্ষিণ ফটকটি অবমুক্ত করে এর দুপাশের ফুটপথ ঘিরে গড়ে ওঠা প্রায় ৩০ টি অবৈধ স্থাপনায় ভাংচুর চালানো হয়।
মঙ্গলবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০.৩০ নাগাদ সাধারণ শিক্ষার্থীরা এক বিশাল মিছিল নিয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এর কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ ফটকের লেগুনা স্ট্যান্ডে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়। এছাড়াও বন্ধ থাকা সদরঘাটমুখী দক্ষিণ ফটকটি অবমুক্ত করা হয়।
এর আগে গত রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ফটকের সামনের লেগুনা ও মিনিবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করে বেশ কয়েকটি লেগুনা ও মিনিবাস ভাঙচুর করে শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে রড ও টিন দিয়ে ঝালাই করে বন্ধ রাখা দক্ষিণ ফটকটিও উন্মুক্ত করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সেসময় শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়। কিন্তু এরপর দিনই ফের গেটটি বন্ধ করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও পুনরায় লেগুনা ও মিনিবাস স্ট্যান্ড বসানো হয়। গতকালই ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার পরও স্ট্যান্ড ও স্ট্যান্ডকে ঘিরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়ায় পুনরায় ভাঙচুর চালায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা দু’দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করে লেগুনা স্ট্যান্ড সম্পূর্ণভাবে তুলে দিয়ে দ্বিতীয় গেট সংস্কারসহ পুরোপুরি অবমুক্ত করার দাবি জানাই। কিন্তু এরপরও তারা গেটে পুনরায় তালা লাগিয়েছে এবং এর সামনে থেকে স্ট্যান্ড উঠিয়ে নেওয়া হয়নি। লেগুনা স্ট্যান্ডটি সম্পূর্ণভাবে না উঠিয়ে নিলে জোরদার আন্দোলনের কথাও জানান তারা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, আমরা ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসন ও লেগুনা স্ট্যান্ডের লোকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের বলেছি, জবির আশেপাশে কোনো দোকান বা স্ট্যান্ড থাকতে পারবে না। আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সেজন্য আমরা এই দক্ষিণ গেটটিকে খোলামেলা রাখতে চাই।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি