৮ মে ২০২৬

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মতো একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২৫ মার্চ) এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী-অস্থায়ী ১৫ সদস্যের মধ্যে ১৪ সদস্যই। একমাত্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ট মিত্র যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান পাল্টে ভোটদানে বিরত ছিল। ওই প্রস্তাবে অবিলম্বে ও নিঃশর্তে হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের মুক্তি দেয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে। খবর আল জাজিরা। যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাব আনে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী ১০টি দেশ। এই প্রস্তাব দ্রুত বাস্তাবায়ন করার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। জাতিসংঘের মহাসচিব বলছেন, প্রস্তাব বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য। প্রস্তাবে ইসরাইলের মূলভূখণ্ডে সশস্ত্র হামাসের হামলার কোন নিন্দা না করায় ভোটদানে বিরত ছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে জাতিসংঘে নিযু্ক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড জানিয়েছেন, হামাসের কারণেই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আগে পাশ করা যায়নি। এছাড়া,  প্রস্তাবে পাসের ফলে হামাসের কাছে যারা বন্দি আছে তারা দ্রুত মুক্তি পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন এই মার্কিন প্রতিনিধি। এই প্রস্তাবে, হামাসের হাতে বন্দীদের মুক্তি এবং মানবিক সহায়তা দিতে যেসব বাধা আছে তা দূর করার কথা উল্লেখ রয়েছে। যুদ্ধবিরতির এই প্রস্তাব আনে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী দেশ আলজেরিয়া, গায়ানা, ইকুয়েডর, জাপান, মালটা, মোজাম্বিক, সিয়েরালিওন, স্লোভেনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ড। ১০টি দেশসহ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ও ফ্রান্স পক্ষে ভোট দেয়। তবে স্থায়ী ৫ সদস্যের মধ্যে একমাত্র যুক্তরাষ্ট্র ভোটদানে বিরত থাকে। গেলো বছরের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি। নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ। হামলায় বাড়ি-ঘর হারিয়ে গৃহহারা হয়ে পড়েছেন ১০ লাখের বেশি গাজাবাসী।   বিপি/টিআই  
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি