২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন, কূটনীতিকদের ওয়াকআউট

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ এএম
জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন, কূটনীতিকদের ওয়াকআউট


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ দেওয়ার সময় এক নজিরবিহীন দৃশ্য তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার তিনি বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই ফিলিস্তিনের আনুষ্ঠানিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

এ সময় কক্ষের একাংশ থেকে তাকে লক্ষ্য করে দুয়ো দেওয়া হয়, যদিও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সভাপতিকে বারবার শান্ত থাকার আহ্বান জানাতে হয়। ক্ষুব্ধ নেতানিয়াহু ওয়াকআউট করা প্রতিনিধিদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ বলে আখ্যায়িত করেন।

 

অধিবেশন কক্ষের বাইরের পরিস্থিতিও ছিল উত্তপ্ত। জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কাছে ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে জড়ো হয়ে কয়েক শ বিক্ষোভকারী সড়ক অবরোধ করেন। তারা ‘ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করুন’, ‘গাজা ও ইরানকে বাঁচতে দিন’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

পরে পুলিশ সেখান থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। মূলত দীর্ঘ যুদ্ধ এবং ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে ইসরায়েল ক্রমেই বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে, যা এই অধিবেশনে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রে এই সংক্ষিপ্ত সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। তা সত্ত্বেও ভাষণে তিনি ট্রাম্পের সাহসী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি নীতির সমালোচনা ও পশ্চিম তীরে নিষেধাজ্ঞার কারণে ঐতিহাসিক মিত্র ব্রিটেন ও ফ্রান্সের কড়া সমালোচনা করেন নেতানিয়াহু। দেশগুলোর নেতাদের ইহুদিবিদ্বেষীদের কাছে নতিস্বীকার করার দায়ে অভিযুক্ত করেন তিনি। এছাড়া ইরানের কড়া সমালোচনা করে সেখানকার ব্যবস্থাকে ‘খুনে স্বৈরশাসন’ বলে আখ্যা দেন এবং খুব শিগগিরই এই নেতৃত্বের পতন হবে বলে মন্তব্য করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি