৫ মে ২০২৬

জামিন পেলে খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চান স্বজনরা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
জামিন পেলে খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চান স্বজনরা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দুর্নীতি মামলায় সাজা পেয়ে গত দেড় বছর ধরে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চাইছেন তার স্বজনরা। অসুস্থ খালেদা জিয়াকে দেখে আসার পর এমনটা জানিয়েছেন তার মেঝো বোন সেলিমা ইসলাম।

শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ৬২১ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান তার বোন সেলিমাসহ পরিবারের ছয় সদস্য।

খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সেলিমা ইসলাম বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা হচ্ছে না। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। উনি উঠতে পারছেন না, বসতে পারছেন না, নিজ হাতে কিছু খেতে পারছেন না। চলতে পারছেন না। শুয়ে থাকতেও উনার কষ্ট হচ্ছে। উনার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া দরকার। আমরা উনাকে বিদেশে পাঠাতে চাই।

হাসপাতালে খালেদা জিয়ার কোনো চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে সেলিমা ইসলাম বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসকরা উনাকে (খালেদা জিয়া) দেখতে আসেননি।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া জামিন পেলে তাকে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিদেশে নিতে চাই। এখানে তার চিকিৎসা হচ্ছে না।

সেলিমা ইসলাম ছাড়াও অন্য স্বজনদের মধ্যে ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বড় বোন শামীম আরা বিন্দু, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের ছেলে অভিক ইস্কান্দার, অতনু ইস্কান্দারসহ ছয়জন।

সর্বশেষ গত ১১ অক্টোবর পরিবারের সদস্যরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যথাক্রমে ১০ ও সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন খালেদা জিয়া।

গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়। গত ১ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি