[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি। এসএম
আবু সাবেত: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করতে চলেছেন যার মাধ্যমে ইংরেজিকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হবে এবং যে নীতিমালা অনুযায়ী ফেডারেল সংস্থাগুলোকে ইংরেজি না জানানোদের ভাষাগত সহায়তা দিতে হতো তা বাতিল করা হবে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক তথ্য বিবৃতিতে এ খবর জানা গেছে।
এই আদেশ নতুন অভিবাসীদের উৎসাহিত করবে যেন তারা 'জাতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজি গ্রহণ করে, যা আরও বেশি সুযোগের দ্বার খুলে দেবে,তবে একইসঙ্গে এটি ফেডারেল সংস্থাগুলোর নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজন মনে করলে অন্যান্য ভাষায় নথি সংরক্ষণ ও পরিষেবা প্রদান চালিয়ে যাওয়ার স্বাধীনতাও দিচ্ছে।
আদেশ সম্পর্কিত একটি তথ্য বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা থাকবে তারা কখন এবং কীভাবে ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষায় পরিষেবা প্রদান করবে, যাতে তারা আমেরিকান জনগণের সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে পারে এবং তাদের নিজস্ব সংস্থার লক্ষ্য পূরণ করতে পারে।
এই আদেশের যুক্তি হলো, ইংরেজিকে আনুষ্ঠানিক ভাষা করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ করা যাবে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রায় ১৮০টি দেশে একটি আনুষ্ঠানিক ভাষা রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫০টিরও বেশি ভাষা বলা হলেও ইংরেজিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও, আদেশটি "বহুভাষিক আমেরিকানদের উদযাপন করে, যারা ইংরেজি শিখেছে এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিয়েছে।
এই নতুন আদেশ ২০০০ সালে প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের দেওয়া একটি নির্বাহী আদেশ বাতিল করবে যা মূলত ইংরেজিতে দক্ষতা সীমিত এমন অভিবাসীদের ফেডারেল পরিচালিত ও সহায়তাপ্রাপ্ত কর্মসূচি এবং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সহজতর করার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছিল।
শুক্রবার প্রকাশিত তথ্য বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই আদেশের মাধ্যমে 'একটি সাধারণ ভাষা জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করে, নতুন অভিবাসীদের স্থানীয় সম্প্রদায় ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে এবং আমাদের যৌথ সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে' বলে ঘোষণা দিয়েছেন।