ইইউর পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্তে জি এম কাদেরের শঙ্কা
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাপ্রেস ঢাকা: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আগামী নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে শঙ্কা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। বৃহস্পতিবার দুপুরে বনানীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পেশাজীবী সমাজের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ শঙ্কার কথা জানান তিনি।
জি এম কাদের বলেন, ‘ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে না, এমন সিদ্ধান্তে জাতীয় পার্টি শঙ্কিত।’ নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউনির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে না ইইউ।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষক দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানিয়েছে ইইউ। বাজেট স্বল্পতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক চিঠিতে ইসিকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি বৃহস্পতিবারই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।
ইসি সচিব বলেন, ‘২০২৩-২৪ অর্থবছরে তাদের (ইইউ) পূর্ণাঙ্গ একটি মিশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানোর আর্থিক বিষয় ছিল। তবে বাজেট স্বল্পতার কারণে তা না মঞ্জুর করা হয়েছে, বা আপাতত না পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে বলেও ইইউ জানিয়েছে।'
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত জুলাইয়ে ঢাকা সফর করে ইইউর একটি প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল। প্রায় দুই সপ্তাহের এ সফরে কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করে পর্যবেক্ষক দলটি।
অবশ্য ইইউ থেকে পর্যবেক্ষক আসা বা না আসায় নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি জানান, নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ইস্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পায়নি বাংলাদেশ। ইইউর অনুপস্থিতিতেও বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে না।
দেশে গণতন্ত্র চর্চার কোন পরিবেশ নেই বলে অভিযোগ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বড় ধরনের সহিংসতার আশঙ্কার কথাও জানান।
কাদের বলেন, ‘বিদেশ থেকেও কথাগুলো এসেছে, আমাদের কথার ওপরেও কথা বলছে। তারা নিজস্ব স্টাডি থেকেও বলছে, সেটা হলো বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্রের অভাব, গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের চর্চা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। আরেকটি জিনিস ভয়াবহভাবে সামনে এসেছে, সেটা হলো একদলীয় শাসন ব্যবস্থার দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’
বর্তমান একাদশ সংসদের মেয়াদ প্রায় শেষ। এখন পরবর্তী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। সাংবিধানিক বাধ্যবাধতা থাকায় নির্বাচন হতে হবে এ বছরের নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে। ইসি এরই মধ্যে জানিয়েছে, আগামী নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। আর ভোট হবে জানুয়ারির শুরুতে।
বিপি>আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি