বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা কতজন শহীদ হয়েছেন, কতজন নিহত হয়েছেন, আমরা কত ত্যাগ স্বীকার করেছি, কারা কী কাজ করেছি, এই বিতর্কে যেতে চাই না। কারণ ওটা মনে হয় স্বার্থপরতার একটা ব্যাপার আছে। আমার দায়িত্ব হচ্ছে জাতিকে ওপরে তুলতে হবে। যে প্রাণগুলো গেছে, যে জীবনগুলো গেছে, তাঁরা কিন্তু ঘোষণা দিয়েছেন আমরা এই ফ্যাসিস্টকে সরাব, জাতিকে স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করব। সে জন্য লক্ষ্য একটাই, আমরা একটা সত্যিকার অর্থে উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চাই।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নতুন বাংলাদেশ চাই, পরিবর্তন চাই, আমরা আর দুর্নীতি চাই না, ঘুষ চাই না, হত্যা চাই না, নির্যাতন চাই না। মানুষ যেন স্বাধীনভাবে স্বস্তি নিয়ে চলতে পারে, সে ধরনের রাষ্ট্র চাই।’
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের একটা সরকার তৈরি করতে পারব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মির্জা ফখরুল। নির্বাচিত ওই সরকার শহীদদের মূল্যায়ন করবে, মর্যাদা দেবে, বাংলাদেশ একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।