১০ মে ২০২৬

গাইবান্ধার দুই সাংবাদিকের নামে এখনও রয়েছে স্বৈরাচারের মামলা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
গাইবান্ধার দুই সাংবাদিকের নামে এখনও রয়েছে স্বৈরাচারের  মামলা
  আব্দুল্লাহিল শাহীন: স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের আমলের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন ভিন্ন মতের দুই সাংবাদিক রজতকান্তি বর্মন ও গোলাম রব্বানী মুসা। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে মামলার পেছনে অর্থ ব্যয় করে তারা অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা চরম আর্থিক কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা। সাংবাদিক রজতকান্তি বর্মন ও গোলাম রব্বানী মুসা বলেন, রাজনীতির বাইরেও ভিন্ন মতের যেকোনো মানুষকেই দমন ও শায়েস্তা করতে ভীষণ তৎপর ছিল তৎকালীন পতিত সরকারের বিভিন্ন সংস্থা। এছাড়াও সেসময় গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মাদক ব্যবসাও বেড়ে যায়। এই মাদক ব্যবসার সুবিধাভোগী ছিল সদর থানা ও র‌্যাব ক্যাম্প, গাইবান্ধার কিছু সদস্য। জেলার মাদক স্পট থেকে ব্যবসায়ীদের কাছ গাইবান্ধা র‌্যাবের তৎকালীন এএসআই বাচ্চু মিয়া নিয়মিত মাসোহারা আদায় করতেন। এছাড়াও এ.এস. আই বাচ্চু জেলার চরাঞ্চল ও গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় লোক দিয়ে মাদক ব্যবসাও করতেন। মাসোহারা ও ব্যবসা থেকে আয় ক্যাম্পের কর্তাব্যক্তিসহ আরো কয়েকজনকে ভাগ দিতেন বাচ্চু। মাদক বিশেষ করে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে ধারাবাহিক নিউজ করায় র‌্যাব ক্যাম্প, গাইবান্ধার তৎকালীন সহকারী পরিচালক আশরাফ হোসেন সিদ্দিক ও এ.এস.আই বাচ্চু মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা সুকৌশলে ষড়যন্ত্রমূলকভবে আমাদেরকে (সাংবাদিক রজত ও মুসা) ২০১৫ সালের ১০ আগস্ট ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার করেন। পরে তাদেরকে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন। সেই মামলা আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন ওই দুই সাংবাদিক। এ বিষয়ে সাংবাদিক রজতকান্তি বর্মন বলেন, ভিন্নমতের হওয়ায় এবং মাদকের বিরুদ্ধে নিউজ করায় আক্রোশবশত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আমাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে। এই মামলার পেছনে অর্থ খরচ করে আমরা আর্থিকভাবে অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হয়েছি। আমরা এই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি চাই। বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি