এআইনির্ভরতা বাড়লে বিপদ হতে পারে, সতর্ক আইটিকর্মী
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা চাকরির ক্ষেত্রে সমস্যার কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ভারতের এক আইটিকর্মী। নিজের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি দাবি করেছেন, এআইয়ের ওপর বেশি নির্ভর করা এক সহকর্মী কাজ ঠিকভাবে বুঝতে না পারায় বারবার সতর্কবার্তা পেয়েছেন এবং পরে তাকে বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রেডিট-এ দেওয়া এক পোস্টে ওই কর্মী জানান, নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়ার তিন মাসের মাথায় তিনিও পারফরম্যান্স নিয়ে সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন। ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী তার কাজের মান যথেষ্ট ছিল না বলে জানানো হয়েছিল।
এরপর তিনি নিজের কাজে আরো মনোযোগ দেন।
দলের কাজ বোঝার চেষ্টা করেন এবং ধীরে ধীরে পারফরম্যান্সও উন্নত করেন। একপর্যায়ে তিনি বি-প্লাস বা এ গ্রেডের রেটিং পান বলে দাবি করেন।
এরপর তার দলে আরো অভিজ্ঞ এক কর্মী যোগ দেন। কিন্তু ওই সহকর্মী কাজ ঠিকভাবে বুঝতে পারছিলেন না এবং এআই টুলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করছিলেন বলে দাবি করেন ওই রেডিট ব্যবহারকারী।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সহকর্মীকে পারফরম্যান্স নিয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হয়। প্রায় দুই মাস পর একজন পরিচালক তাকে ডেকে বেঞ্চে পাঠান।
ওই কর্মী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এরপর ছাঁটাইয়ের ঝুঁকিও থাকতে পারে। তবে এই দাবির স্বাধীন কোনো যাচাই করা হয়নি।
জরুরি তহবিল রাখার পরামর্শ
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে অন্য আইটিকর্মীদের আর্থিকভাবে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ওই ব্যক্তি।
তিনি বলেন, চাকরির অনিশ্চয়তা বিবেচনায় সবারই জরুরি তহবিল তৈরি করা উচিত।
তার পরামর্শ, প্রয়োজনীয় নয় এমন খরচ কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়া, গাড়ি কেনা বা বিনোদনের মতো ব্যয় কমানো এবং ঋণ পরিশোধে মনোযোগ দেওয়া ভালো।
তার পোস্টের পর অন্য রেডিট ব্যবহারকারীরাও চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। কেউ বলেন, বর্তমান সময়ে জরুরি তহবিল আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আবার কেউ এআইয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা শেষ পর্যন্ত বিপরীত ফল দিতে পারে বলে মন্তব্য করেন।
তবে পুরো ঘটনাটি একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। হিন্দুস্তান টাইমসও জানিয়েছে, দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি