দিনাজপুরে জয় বাংলার তালে তালে ইকবালুর রহিমের বাড়ি ভাংচুর
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘জয় বাংলা, জিতবে এবার নৌকা’ গানের সুরের তালেতালে ভবনের দেয়ালে পড়ছে এক্সকাভেটরের আঘাত। দুমড়েমুচড়ে ভেঙে পড়ছে প্রাচীর, ভবনের খুঁটি ও দেয়াল। উৎসুক জনতা নির্বিকার দাঁড়িয়ে দেখছেন। এ দৃশ্য দিনাজপুর সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক হুইপ ইকবালুর রহিমের বাড়ির প্রাচীর ভাঙার।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে শহরের হাসপাতাল মোড় এলাকায় ইকবালুর রহিমের বাড়ি ভাঙা হয়। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে শহরের বাসুনিয়াপট্টি এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগ ও শহর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ও একইভাবে এক্সকাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে দেখা গেছে। ভবন ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই ইট, লোহার গ্রিল, দরজা-জানালা, প্রাচীরের ওপরে সুরক্ষা তারকাঁটা যে যাঁর মতো ভ্যানে তুলে নিয়ে যান।
এর আগে ৪ আগস্ট বিকেলে ইকবালুর রহিমের বাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। পরদিন অর্থাৎ সরকার পতনের দিন বিকেলে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। দলীয় দুটি কার্যালয় পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকলেও মাস দুয়েক আগে ইকবালুর রহিমের বাড়ির জায়গায় তারকাঁটাসহ সুউচ্চ প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই প্রাচীরটি গুঁড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইটসহ অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে যায় লোকজন।
দিনাজপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা অন্তু খান বলেন, ‘কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ছাত্র-জনতা একত্রিত হয়ে ফ্যাসিবাদের আস্তানা মুছে ফেলার কাজটি করেছি। আমাদের ছাত্র প্রতিনিধি একরামুল হক আবির, বাদশা আল কাউসার, মিজান মিরাজ, ফয়সালসহ অসংখ্য ছাত্রনেতা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন।’
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
রাজনীতি
‘কারা বিক্রি করেছে জান্নাতের টিকিট, ভিডিও প্রমাণ আছে’: জামায়াত আমির
১ দিন আগে
by বাংলা প্রেস
সঙ্গীত একাডেমি