দেবীগঞ্জ ধান রোপণে ব্যবহার হছে শ্যালো মেশিন
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) থেকে সংবাদদাতা: দেবীগঞ্জ উপজেলায় পুরোদমে শুরু হয়েছে আমন ধানের চারা রোপণের কাজ। বৃষ্টির অভাবে ধান রোপণ করতে হচ্ছে একটু দেরিতে ।অন্য অন্য বছর বৃষ্টির পানিতে ধান রোপণ করতে পারেলও এ বছর তা ভিন্ন।
দোহলায় চোখ রাখলে দেখা যায় ইরি মৌসুমে যেভাবে কৃষকেরা শ্যালো মেশিন বা মটরের পানি দিয়ে ধান রোপণ করতেন।ঠিক সে ভাবেই আমান ধান রোপণ করছেন বৃষ্টি না হওয়াতে। আমরা জানি জুন -জুলাইয়ে আমাদের উত্তরাঞ্চলে ধানের রোয়া রোপণ করা হয়।কিন্তু এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় রোয়া রোপণ করতেছে আগস্ট মাসে তাও আবার মেশিন বা মটর দিয়ে। মটর দিয়ে পানি দিলে মটর মালিক নিচ্ছেন ১ ঘন্টায় ৮০-৯০ টাকা।আর সেল মেশিন দিয়ে পানি দিলে মেশিন মালিক নিচ্ছেন ঘন্টায় ৬০-৭০ টাকা।
দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের রামগঞ্জ বিলাসী নগর পাড়ার কৃষক শাজাহান বলেন এবছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় বিঘা প্রতি জমিতে বেশী খরচ হচ্ছে ১ থেকে দেড় হাজার টাকা। হাজিরা (কামলা) না পাওয়া তে রোয়া রোপণ করতে দিতে হচ্ছে চুক্তি ।
প্রতি বিঘা জমিতে রোয়া রোপণ করতে চুক্তি ১৫ শ টাকা। আমনের চারা রোপণের জন্য দরকার প্রচুর বৃষ্টিপাতের। কারণ দেবীগঞ্জের জমি এমনিতেই উচু। এ সময়ের বৃষ্টিপাত না হওয়ায় দেবীগঞ্জ কৃষকদের জন্য মনে হয় বড় অভিশাপ। পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও জমিতে লেগে পড়েছে রোয়া লাগানোর কাজে। শ্রমিকের চাহিদা থাকায় পুরুষ ও নারী শ্রমিকের মুজুরী প্রায় সমান।
পুরুষ শ্রমিকরা পাচ্ছে ৪০০ টাকা ও নারী শ্রমিকরা ৩৫০ টাকা। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে দেবীগঞ্জে এবার ২৩ হাজার ৯২০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি