
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ঢাকা থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনের পাওয়ারকারে অগ্নিকাণ্ডের কারণে ৪ ঘণ্টা বন্ধ ছিল সিলেট-ঢাকা রেল যোগাযোগ। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ট্রেন লাইন থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর শনিবার বিকাল ৫টা থেকে সিলেট-ঢাকা রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু হয়েছে।
এ ঘটনায় সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হককে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- কমলগঞ্জ উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেল) শহীদুল হক মুন্সী, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াদুস হাসান, স্থানীয় চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান, শমশেরনগর স্টেশনের মাস্টার জামাল হোসেন ও মৌলভীবাজার ফায়ার স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ হারুন পাশা।
শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার জামাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কী কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঢাকা থেকে রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে আসছেন। এ ছাড়া তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এদিন দুপুর পৌনে ১টায় শমশেরনগর রেলস্টেশ ও মনু রেলস্টেশনে মাঝামাঝি পতনউষারের ডাকবেল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত না হলেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দুটিসহ ৩টি বগি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডের সাথে সাথেই সকল যাত্রীদের ট্রেন থেকে নামিয়ে চলে যাওয়ায় কেউ হতাহত হননি।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন দুপুর সাড়ে ১২টায় শমশেরনগর রেল স্টেশন অতিক্রম করার পর থেকেই ট্রেনের জেনারেটরের বগিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর প্রায় ৪ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর ট্রেন থামানো হয়। তখন যাত্রীরা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদে আশ্রয় যান। তৎক্ষণাত কর্তৃপক্ষ আগুন লাগা ৩টি বগি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তখন ট্রেনের জেনারেটর বগি ও পার্শ্ববর্তী যাত্রীবাহী বগিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়।
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]