চিলমারীতে আটক ছাত্রলীগ নেতা শামীমের মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ
জবি থেকে সংবাদদাতা: কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস, এম শামীম মিয়াকে চাঁদাবাজির মামলায় ১৯ ফেব্রুয়ারি, বুধবার গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ । তার মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চিলমারী উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা ।
শনিবার বিকেলে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বাধীনুর রহমান জুয়েলের নেতেৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথ সভায় উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু আব্দুল্লাহ সিদ্দিক শুভ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আবু হোসাইন সিদ্দিক রানা, উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিনার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আবু হোসাইন সিদ্দিক রানা তার বক্তব্যে বলেন, জেল হাজতে থাকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস, এম শামীম মিয়াকে আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে নিঃস্বার্থ মুক্তি দিতে হবে। সেই সাথে মামলা প্রত্যাহার করারও দাবী জানান তিনি। তিনি বলেন, যদি ৭২ ঘন্টার মধ্যে মুক্তি না দেয়া হয়, যমুনা অয়েল কোম্পানীর ডিএসকে চিলমারীতে অবাঞ্চিত বলে ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, চিলমারী মডেল থানা সুত্রে জানা যায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি, যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডের চিলমারী ভাসমান ডিপো ইনচার্জ মোঃ তাফাজ্জল হোসেন থানাহাট বাজারে কথা বলার উদ্দেশে চিলমারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক এস, এম শামীম মিয়া ও তার দলবল তাকে মটরসাইকেলে তুলে নিয়ে তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং তাৎক্ষনিক ভাবে ১লক্ষ টাকা বুঝে নিয়ে ছেড়ে দেয় এবং বাকি টাকা দ্রুত দেয়ার জন্য চাপ দেয়।
পরে ডিপো ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন বাদি হয়ে শামীম মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৫জনের নামে চিলমারী মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে প্রেরণ করে।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি