ব্যাংকের সাড়ে ৩ কোটি টাকায় জুয়া খেলেছেন এই কর্মকর্তা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক : বেসরকারি প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা চুরি করে রাজশাহী শাখার ক্যাশ ইনচার্জ শামসুল ইসলাম ফয়সালের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অনলাইনে জুয়া খেলে তিনি সব টাকাই হারিয়েছেন। প্রায় দু’বছর ধরে বেট৩৬৫ অ্যাপসের মাধ্যমে তিনি জুয়া খেলে আসছিলেন বলে জানা যায়।
পুলিশ জানায়, সারাবিশ্বের নানা জুয়াড়িদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তিনি। ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাতের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ফয়সাল। তিন দিনের রিমান্ড শেষে ফয়সাল স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হলে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এদিকে টাকা আত্মসাতের ঘটনা তদন্তে রাজশাহীতে এসে কাজ শুরু করেছেন ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় থেকে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ আলমের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত টিম। টিমের প্রধান উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ আলম জানান, এই টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ফয়সাল একাই নাকি ব্যাংকের আরো কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ভল্টে টাকা সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় অন্তত দুজন কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। এ ক্ষেত্রে কী হয়েছে তাও দেখা হচ্ছে।
এদিকে ফয়সাল ব্যাংকের ওই টাকা দিয়ে নিজের নামে সুবর্ণভূমি আবাসিক এলাকায় প্লট ও বাকি টাকা দুই বন্ধুকে ধার দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন অন্তত দু’বছর ধরে বেট৩৬৫ অ্যাপসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জুয়াড়ি চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ব্যাংকের ভল্ট থেকে টাকা নিয়ে তিনি জুয়া খেলে হেরেছেন। তবে ফয়সাল পুলিশকে জানিয়েছেন, জুয়া খেলতে ব্যাংকের ভল্ট থেকে টাকা চুরি করেছিলেন। ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ভল্টে সব সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকা থাকত। টাকা রাখার ভল্টের সামনের লাইন ঠিক রেখে পেছনের লাইন থেকে তিনি টাকাগুলো সরাতেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি