ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সাথে আড্ডায় মাতলেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সাথে আড্ডায়জাইমা রহমান
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: এক অনাড়ম্বর ও প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার কৃতি শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিক আড্ডায় মেতেছিলেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। গতকাল মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী এই ব্যতিক্রমী মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের কন্যা মেহভীন রহমান মুনিয়া এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠানে কসবা ও আখাউড়ার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রায় ৯০ জন কৃতি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ঢাকার একটি তারকা হোটেলে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে এত কাছ থেকে পেয়ে এবং তার সাথে সরাসরি কথা বলতে পেরে শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শিশুদের স্বপ্নের গল্প শুনলেন জাইমা
আড্ডার শুরুতেই ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত প্রতিটি শিশুকে পরম স্নেহে নিজের কাছে ডেকে নেন। তিনি শিশুদের পড়ালেখা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং জীবনের নানা স্বপ্নের কথা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনেন। পড়াশোনার পাশাপাশি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কীভাবে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা যায়, সেই বিষয়ে তিনি শিশুদের মূল্যবান পরামর্শ দেন।
শিশুদের সাথে সহজভাবে মিশে গিয়ে জাইমা রহমান নিজের শৈশব এবং ব্যক্তিগত জীবনের বেশ কিছু মজার ও অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতাও তাদের সাথে ভাগ করে নেন।
বিরিয়ানি ও ইলিশের রসিকতা
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে আড্ডা আরও জমে ওঠে যখন জাইমা রহমান শিশুদের কাছে তাদের রান্নাবান্নার শখের কথা জানতে চান। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী রান্নায় তাদের পারদর্শিতার কথা জানালে জাইমা রহমান হাসিমুখে প্রশ্ন করেন, "আমি যদি কখনো তোমাদের এলাকায় (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) যাই, তবে তোমরা আমাকে কী রান্না করে খাওয়াবে?"
জবাবে কৃতি খুদে শিক্ষার্থীরা সমস্বরে চিৎকার করে তাকে নিজ হাতে সুস্বাদু বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। শিশুদের এমন আন্তরিক জবাবে আনন্দিত হয়ে জাইমা রহমান রসিকতা করে বলেন, "তাহলে বিরিয়ানির সাথে কিন্তু আমার ইলিশ মাছও চাই!" তার এই মন্তব্যে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে হাসির রোল পড়ে যায়।
মেহভীন রহমান মুনিয়ার বক্তব্য
অনুষ্ঠানের আয়োজক মেহভীন রহমান মুনিয়া জানান, মফস্বলের মেধাবী শিশুদের উৎসাহ দিতে এবং তাদের মানসিক বিকাশের লক্ষ্যেই এই ব্যতিক্রমী আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। জাইমা রহমানের মতো একজন ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য এই শিশুদের ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিন ঘণ্টাব্যাপী এই আনন্দঘন আড্ডা শেষে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান শিশুদের সাথে ছবি তোলেন এবং তাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
বিপি/এসআর
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি