৪ মে ২০২৬

বোয়ালমারীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের চেষ্টা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
বোয়ালমারীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের চেষ্টা

ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা: ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেনের নামে গাছ কাটার মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে তার এলাকার একটি প্রতিপক্ষ বলে অভিয়োগ করেন ওই ইউপি চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় এলাকার সুধিমহল তীব্র নিন্দা নিয়েছেন ওই কুচক্রি মহলকে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দাদপুর গ্রামের বাসিন্দা সেকেন মোল্যার ঘরের পাশে সরকারী দুটি শিশু গাছ রয়েছে। গত ২০ মে আম্পান ঝড়ে শিশু গাছের গুড়া উপরে সেকেনের ঘরের উপরে পড়ে। এ সময় তার বসত ঘরটি ভেঙ্গে চুরে যায়। ঘর ভাঙ্গার কারণে সে তার পরিবার নিয়ে রান্না ঘরে বসবাস করে। সেকেন পেশায় কৃষক। এ ঘটনা সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে জানায়। চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘরটি সংস্কার করার জন্য গাছ দুটি কেটে ইউনিয়ন পরিষদে দিয়ে আসতে বলেন এবং লিভারের মুজুরি চেয়ারম্যান নিজে দেবেও বলেন। গত ২৬ মে গাছ দুটি কেটে ইউনিয়ন পরিষদে আনলে কুন্দারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা বাবলু মোল্যা ও তার আপন ভগ্নিপতি হারুন মোল্যা চেয়ারম্যান সরকারী গাছ কেটেছে বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালায়। সেকেন মোল্যা বলেন, ঝড়ে আমার ঘরের উপরে গাছ পড়ে আমার বসত ঘরটি ভেঙ্গে যায়। ঘরটি ভেঙ্গে পড়ার কারনে আমার পরিবার নিয়ে রান্না ঘরে বসবাস করি। গত ২৫ মে আমি চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে সব কিছু খুলে বললে চেয়ারম্যান আমার বাড়িতে এসে ঘুরে দেখে আমাকে বলেন, গাছ কেটে ইউনিয়ন পরিষদে দিয়ে আসবা এবং গাছ কাটার লিভারের মুজুরি আমি দিয়ে দিবো।

মঙ্গলবার (২৬.০৫.২০) গাছ কেটে নেওয়ার পর কুন্দারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন মোল্যা ও বাবলু মোল্যা গাছের ছবি তুলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে তার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা চেয়ারমম্যানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। হারুন মোল্যা বলেন, আমরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র করছি না। গাছটি সেকেনের ঘরের উপরে পড়েছে এটা সত্য। আমরা তার প্রতিপক্ষ না। চেয়ারম্যান আমার আত্মীয় হয়।

মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, সেকেন আমার কাছে এসে বলে ঝড়ে শিশু গাছ পড়ে আমার বসত ঘরটি ভেঙ্গে গেছে। আমি পরিবার নিয়ে ঘরে থাকতে পারিছ না। এই ঝড় বৃষ্টির দিন কোথায় যাব। গাছ না কেটে ঘরটি সংস্কার করতে পারছি না। আমি সরেজমিন ঘুরে দেখে তাকে বলেছি গাছ কেটে আমার পরিষদে পাঠিয়ে দিয়েবেন। আর গাছ কাটার লিভারের টাকা আমি দিয়ে দিবো। তিনি আরও বলেন, ওই গাছ নিয়ে আমার এলাকার আমার প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে আমার জনপ্রিয়তা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তারা বলে বেড়াচ্ছে চেয়ারম্যান গাছ কেটেছে। আমি এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ বলেন, গাছ কাটার বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে দেখে তার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি