বিয়ের উপহার চেয়ে ভোট চাওয়া, এবার খরচের জন্য হাত পাতলেন আশা মনি
আশা মনি। ফেসবুক থেকে নেওয়া
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ভোটের আবহে সরগরম উত্তর জনপদের ঠাকুরগাঁও-৩ আসন। তবে আলোচনার কেন্দ্রে কোনো ঝানু রাজনীতিক নন, বরং খবরের শিরোনাম কেড়ে নিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।
কখনও ভোটারদের ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি’ দিয়ে, আবার কখনো সরাসরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য চেয়ে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর মতো ডিজিটাল লেনদেন মাধ্যমের নাম্বার দিয়ে একটি পোস্ট করেছেন আশা। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচনি প্রচারকে আরও জমজমাট করতে এবং প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে তার আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন। দেশ ও বিদেশের (প্রবাসী) সমর্থকদের কাছে তার কাতর আবেদন— যে যা পারেন, তা দিয়েই যেন তার পাশে দাঁড়ান’।
মুহূর্তের মধ্যেই সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায় নেটপাড়ায়।
তবে বিতর্কের সূত্রপাত কয়েকদিন আগে। যুব সমাজের উদ্দেশে এক সভায় আশা মনিকে বলতে শোনা যায়, ‘তরুণদের বলছি, আমাকে ভোট দিন, আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা করে দেব’।
এখানেই শেষ নয়; তিনি সটান দাবি করেন, ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে তিনি ভোটারদের কাছে শুধু একটি করে ভোট চান।
প্রার্থীর এমন ‘অদ্ভুত’ প্রতিশ্রুতিতে জেলা জুড়ে হাসির রোল যেমন উঠেছে, তেমনই তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বিরোধীদের একাংশ একে ‘ভোট কেনার কৌশল’ বলে কটাক্ষ করলেও, আশা মনির দাবি— তিনি সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হয়েই লড়ছেন। প্রচারের জন্য বড় কোনও দলীয় ফান্ড তার নেই, তাই জনতাই তার ভরসা।
ঠাকুরগাঁওয়ের হাটে-ঘাটে এখন একটাই আলোচনা— বিয়ের প্রতিশ্রুতি কি শেষ পর্যন্ত আশা মনির ভাগ্য ফেরাবে? নাকি এই ডিজিটাল ভিক্ষা কেবল সমাজমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে? উত্তরের অপেক্ষায় দিন গুনছে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের মানুষ।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি