৬ মে ২০২৬

বিএনপি ২৬ ঈদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, এখন বললে মানুষ হাসে-ওবায়দুল কাদের

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বিএনপি ২৬ ঈদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে, এখন বললে মানুষ হাসে-ওবায়দুল কাদের
নোয়াখালী প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন, বিএনপি গত ১৩ বছরে ২৬ ঈদে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের মুখ দেখেনি। বিএনপি আন্দোলনের কথা বললে মানুষ হাসে। তের বছরে পারলানা কোন বছর পারবে। তাদের আন্দোলন এখন প্রশ্ন সভায় এই বছর না ওই বছর। আন্দোলন হবে কোন বছর। তারা আন্দোলনের নামে ভুয়া হুমকি-ধুমকি দেয়। মাঠে আন্দোলনের কর্মি টোকাই পায় না। বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বড় রাজাপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরোও বলেন,বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দেখে বিএনপি গাত্রদাহ হয়।কারণ বিএনপি দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন,তারা লুটপাটেও চ্যাম্পিয়ন।আর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে দেশ আজ বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাড়িয়েছে। অন্যান্য দেশ আমাদের দেশকে অনুসরণ করছে।আগামী সেতুমন্ত্রী বলেন, জুন মাসে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে।এটা সরকারের জন্য বড় অর্জন।নিজেদের অর্থায়নে আমরা পদ্মাসেতু করেছি।বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে লুটপাট করে খেতো।উন্নয়নের ছিড়েফোটাও হতো না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিম,যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের পর দীর্ঘ প্রায় ৩৩ মাস পর নিজ নির্বচানী এলাকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এসেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গত এক বছর নানা ঘটনায় সমালোচনায় পড়তে হয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দকে। আলোচনার সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে ছিলেন সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তাঁর বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠছে সংগঠনের ভেতর থেকেই। বড় ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও ভাবীর বিরুদ্ধে কুটিল ভাষায় ব্যাপক বিষেদগার করেন। বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে বার বার খারাপ সংবাদের শিরোনাম হয় কাদের মির্জা। এতে স্থানীয় ভাবে সংগঠন পড়েছে বেজায় নাজুক অবস্থায়। স্থানীয় রাজনীতিকে কাদের মির্জা বিরোধী অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। তাঁর মূলত খুঁটি হচ্ছে কাদের মির্জার আপন তিন ভাগনে। বাদল ও ভাগনেদের বিরুদ্ধেও কাদের মির্জাও নানা অভিযোগ তুলেন। একপর্যায়ে দুই গ্রুপের এ দ্বন্দ্ব সংঘাতে কাদের মির্জার প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় তারই আপন তিন ভাগনে। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, ফখরুল ইসলাম রাহাত ও সিরাজিস সালেকিন রিমন। মূলত কাদের মির্জার পারিবারিক ভুল বুঝাবুঝি সূত্র ধরে এ দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। এরপর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যেই এই বিরোধের ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতে এ অভ্যন্তরীণ বিরোধ ছড়িয়ে যায়। সেই বিরোধের জের ধরে গত কয়েকমাসে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘর্ষে একজন সাংবাদিকসহ দুই জন নিহত হয়। আহত হয় প্রায় এক হাজার নেতাকর্মি। পাল্টাপাল্টি ৭২টি মামলা হয়। এতে আসামি হয় উভয় পক্ষের প্রায় সাত হাজার তৃণমূলের নেতাকর্মি। এখনো বাড়ি ছাড়া রয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মি। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে অনেকে বাড়ি আসতে পারেনি।   বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি