১৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব এখন সোনার পাথরের বাটির মতো: নাসীরুদ্দীন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব এখন সোনার পাথরের বাটির মতো: নাসীরুদ্দীন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  ক্ষমতাসীনদের অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সমালোচনা করেন। পোস্টটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশে মন্ত্রীত্ব হইলো সোনার পাথরের বাটির মতো। ঘষা দিলেই কুরবানির পশু, ফ্ল্যাট, প্লট, জমি-জমা, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি-বাড়ি, রূপা-মুদ্রা, হীরা-জহরতের ছড়াছড়ি। নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়। কেউ আবার দেশের মাটিতে জায়গা না পেয়ে বিদেশে গিয়ে বাড়ি ক্রয় করে।’

মন্ত্রীদের সন্তানদের বিলাসী জীবনযাপন নিয়েও কটাক্ষ করেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ‘তাদের সন্তানদের দিকে তাকাইলে প্রিন্স উইলিয়ামও লজ্জা পায়। জিজ্ঞেস করলে— “আয়ের উৎস কী?” উত্তর দেয় -আব্বা। সূর্যের দিকে তাকাইলে যেমন চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, তেমনি এদের জৌলুস আর চাকচিক্যময় সামগ্রীর দিকে তাকাইলেও চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আরব শেখদের মতো বাঘ নিয়ে খেলা না করতে পারলেও বাঘিনী নিয়ে খেলা করে। এদের ছোট ছোট আয়েশি খাঁচায় কত ফুল ঝরে পড়ে! এদের ট্যাবলেট চিবানো দেখলে উৎপাদনকারী আরেকটা নতুন ফ্যাক্টরিতে বিনিয়োগ করার সাহস পায়।’

কেউ কেউ মিডিয়া ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখান বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেছেন, ‘আবার কেউ কেউ মিডিয়া খুলে ভয় দেখায়— “খাইয়া দিমু”, “জেলে ভইরা দিমু”। এদের দুইটা শখের জায়গা আছে— অর্ধেক রাতারাতি খেলা-বিশেষজ্ঞ হইয়া উঠে, আরেক অর্ধেক সংস্কৃতির মান ইজ্জত ডুবিয়ে দেয়।’

তবে পোস্টের শেষে আশার বাণী শুনিয়েছেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ‘এতক্ষণ পড়ে মন খারাপ কইরেন না। শ্রীলঙ্কা আর সাম্প্রতিক নেপালে রাস্তায় রাস্তায় তাদের যেই পরিণতি হয়েছিল, ওই থ্রিলারগুলা নেট দুনিয়ায় একটু দেখলেই মন শান্তি হয়ে যাবে। যেখানেই রাজ-রাজ ভাব আর হাংকি-পাংকি দেখবেন, সেখানেই নেপালের উদাহরণ সেট করে দিবেন।’ সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি