৭ মে ২০২৬

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়বে যুক্তরাষ্ট্র: আফরিন আক্তার

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়বে যুক্তরাষ্ট্র: আফরিন আক্তার
  নোমান সাবিত: বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ভারসাম্যমূলক পরিবেশ তৈরি করার দিকে মনোনিবেশ করতে চান যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য গণমাধ্যমের সঙ্গে কাজ করছেন। সুশীল সমাজ ও শ্রম সংগঠকদের সঙ্গে অনেক কাজ করেছেন। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো গড়তে অনেক কাজ চলছে বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার। গত বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্দো-প্যাসেফিক স্ট্র্যাটেজির দুই বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিশেষ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দিকে মনোনিবেশ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন যে, একটি কর্তৃত্ববাদী শাসনের উত্থান বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে একসঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করছে? জবাবে আফরিন আক্তার বলেন, আমরা বিষয়টিতে ফোকাস করছি। আমরা অবিশ্বাস্যভাবে বাংলাদেশের সমাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দিকে ফোকাস করছি। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের প্রথম স্তম্ভ হলো একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল। তাই আমি দক্ষিণ এশিয়ায় ‘গভর্নেন্স ফান্ডের’ কথা বললাম। আমরা বাংলাদেশের কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছি; যারা সরকারি সেবা পেতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। যদিও এটি একটি ছোট দিক। আমরা শ্রমিক সংগঠকদের সঙ্গে কাজ করছি। আমরা সুশীল সমাজের সব পক্ষের সঙ্গেও কাজ করছি। এটি করার ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে সুশীল সমাজের জন্য জায়গা গড়ে তোলা, তাদের স্থান সংরক্ষণ করা, দীর্ঘ মেয়াদে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। তিনি বলেন, অগ্রাধিকারের বৃহত্তর ক্ষেত্রগুলোতে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যাপকভাবে যুক্ত। আমরা বাংলাদেশের ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুক দেখে সত্যিই সন্তুষ্ট হয়েছি, যা সত্যিই অর্থনৈতিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করা, আমাদের দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমরা যা করার চেষ্টা করছি তার অনেক কিছুই প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশ অবশ্যই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষায় অন্যতম বৃহত্তম অবদানকারী এবং আমরা সেই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করতে পেরে খুবই আনন্দিত। তাই আমরা আসলে আমাদের কৌশল, তাদের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একমত হওয়ার বিস্তৃত পরিসর দেখতে পাই। কিন্তু কীভাবে আমরা গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের বিষয়গুলোকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারব সে সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের উত্তরে আবারও বলব, আমাদের ফোকাস আসলেই সুশীল সমাজ। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি