বাজারে স্বস্তির হাওয়া, কমছে সবজি-ডিম-মুরগির দাম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: নতুন অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা হলে বাজারে অন্যান্য পণ্যের মতো সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। তবে এবার এর প্রভাব পড়েনি।
ঈদের পর সবজিসহ বেশ কিছু পণ্যে দাম বাড়লেও বাজেটের কমেছে সবজিসহ পেঁয়াজের দাম। এ ছাড়া অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে ডিম ও মুরগির দামে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির সরবরাহ বেড়েছে।
বেশিরভাগ সবজির দাম ৫০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। তবে হাতেগোনা কয়েকটি সবজির দাম কিছুটা বেশি। এর মধ্যে করলা ৭০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, ধুন্দুল ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা, কচুরমুখী ৫০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকেৃ ৭০ টাকা ও বরবটি ৬০ কেজি বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আলু ২৫ টাকা কেজি, ধনেপাতা ১০ টাকা আঁটি বিক্রি হচ্ছে আর কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুনের কেজি ৬০ টাকা। লম্বা বেগুনের দাম ৬০ টাকা কেজি। শসা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর কাঁচামরিচ ৮০ টাকা কেজি।
বাজারে বড় আকারের লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। আর ১০ টাকায় মিলছে ছোট লেবু। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি কেজি ৩২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। ঈদুল আজহার পর গরুর মাংসের দাম বাড়েনি। বর্তমানে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ডজনপ্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।
অন্যদিকে, মাছের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃত উপরে দাম নির্ধারণ), রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। সূত্র: কালের কণ্ঠ
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি