২৩ আগস্ট ২০২৬

আমার কলমে হাতকড়া

যখন সংবাদকর্মী নিজেই হয়ে উঠলেন সংবাদের বিষয়

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
আমার কলমে হাতকড়া

যখন সংবাদকর্মী নিজেই হয়ে উঠলেন সংবাদের বিষয়

ছাবেদ সাথী
একজন সাংবাদিকের পেশাগত জীবনে কখনো কখনো এমন মুহূর্ত আসে, যখন সংবাদকর্মী ও সংবাদের মধ্যকার দূরত্ব হঠাৎ করেই বিলীন হয়ে যায়। যিনি প্রতিদিন অন্যকে প্রশ্ন করেন, ঘটনা নথিবদ্ধ করেন এবং অন্য মানুষের অভিজ্ঞতা পাঠকের সামনে তুলে ধরেন—একদিন তিনিই হয়ে ওঠেন সংবাদের বিষয়।
আমার জীবনে সেই মুহূর্তটি এসেছিল ২০২৫ সালের ২৪ আগস্ট, নিউ ইয়র্কের এক রাতে।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে আমি বিশ্বাস করে এসেছি, এই পেশার একটি কঠিন কিন্তু অপরিহার্য দায়িত্ব রয়েছে—যা দেখেছি তা তুলে ধরা, তথ্য যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া এবং ভয় কিংবা প্রভাবের কাছে সত্য প্রকাশের অধিকারকে সমর্পণ না করা।
এই নীতি অনুসরণ করতে গিয়ে বিশ্বের বহু সাংবাদিককে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। কেউ হুমকির শিকার হয়েছেন, কেউ চাকরি হারিয়েছেন, কেউ হামলার শিকার হয়েছেন, কেউ কারাগারে গেছেন। আবার কেউ কখনো বাড়িতেই ফিরতে পারেননি।
কিন্তু আমি কখনো ভাবিনি, একদিন আমার নিজের প্রকাশিত সংবাদের পরিণতিতে আমাকে হামলা, হাতকড়া এবং হাজতের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হবে।
একটি সংবাদ, তারপর মুখোমুখি সংঘাত
আমার গ্রেপ্তারের নয় দিন আগে, ১৫ আগস্ট কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে একটি কমিউনিটি সভার সংবাদ সংগ্রহ করেছিলাম। সভাটি ছিল বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ী আসেফ বারী টুটুল ও তাঁর স্ত্রী মুনমুন হাসিনা বারীকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ নিয়ে।
ওই সভায় অংশগ্রহণকারীরা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেন। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার দায়িত্ব ছিল সভায় যা বলা হয়েছে তা সংবাদ হিসেবে তুলে ধরা—বিরোধের অংশ হয়ে যাওয়া নয়।
সংবাদটি প্রকাশিত হলো। নয় দিন পর আমি নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের একটি পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাগার্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে যাই। সেখানে গিয়েছিলাম একজন সাংবাদিক হিসেবে। কাজ শেষে বাড়ি ফিরে যাব—এটাই ছিল স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু সেদিন আমি বাড়ি ফিরিনি।
আমি হোটেল ছেড়েছিলাম পুলিশের হেফাজতে।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন ব্যক্তির গতিবিধি আমাকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। আমার মনে হচ্ছিল, তারা আমার চলাফেরা লক্ষ্য করছে কিংবা আমাকে অনুসরণ করছে। রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে হোটেল থেকে বের হয়ে পার্কিংয়ের দিকে যাওয়ার সময় পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আমার সঙ্গে কয়েকজনের বাদানুবাদ শুরু হয়।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। আমার স্মৃতি ও প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, শাহ নেওয়াজ সেখানে এসে অন্যদের আমাকে আক্রমণ করতে উৎসাহিত করে চিৎকার করেন। এরপর একাধিক ব্যক্তি আমাকে ঘুষি ও আঘাত করেন।
নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে আমি সেখান থেকে বেরিয়ে হোটেলের লবিতে ফিরে আসি।
আমি তখন সেই কাজটিই করেছিলাম, যা সহিংসতার শিকার হলে আমেরিকায় একজন মানুষের করার কথা—
আমি ৯১১-এ ফোন করি।
৯১১-এ ফোন করা মানুষটিই যখন হাতকড়ায়
হোটেলের ভেতরে গিয়ে আমি কর্মীদের কাছে ঘটনার কথা জানাই। একজন নিরাপত্তাকর্মীও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর আমি হোটেলের ইনসিডেন্ট রিপোর্ট পূরণ করতে শুরু করি।
পুলিশ এলো।
ইনসিডেন্ট রিপোর্ট লেখার সময় শাহ নেওয়াজ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে হোটেল লবিতে প্রবেশ করেন এবং আমার দিকে আঙুল তুলে দেখান।
আমি পুলিশকে একটি বিষয় বোঝানোর চেষ্টা করছিলাম, যা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল—
আমিই ৯১১-এ ফোন করেছিলাম। আমিই অভিযোগ করছিলাম যে আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে।
আমি পুলিশ কর্মকর্তাদের হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার অনুরোধও করি।
তারপরও আমার বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর পুলিশ আমাকে হেফাজতে নেয়।
আমার দুই হাতে হাতকড়া পরানো হলো।
সেই মুহূর্তে শুধু আমার শারীরিক অবস্থাই বদলায়নি।
সংবাদকর্মী নিজেই হয়ে গেলেন বন্দি।
আমার সহকর্মীরা কোথায় ছিলেন?
সেই রাতের সবচেয়ে কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতার সবটাই শারীরিক ছিল না।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক, সহকর্মী, পরিচিতজন এবং আমাকে চেনেন—এমন অনেকেই ছিলেন। তাদের কেউ কেউ ঘটনার আগে কিংবা পরের কিছু অংশ প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
কিন্তু আমার যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল কেউ অন্তত বলুক—“তার কথাটাও শুনুন। সে-ই ৯১১-এ ফোন করেছে। কী ঘটেছে খুঁজে দেখুন। ক্যামেরার ফুটেজ দেখুন,”—তখন নিজেকে সম্পূর্ণ একা মনে হয়েছিল।
সেদিনের নীরবতা আমাকে সাংবাদিকতা পেশা সম্পর্কেও একটি অস্বস্তিকর শিক্ষা দিয়েছে।
অন্য কারও প্রতি অন্যায় হলে সাংবাদিক হিসেবে আমরা সাহসের সঙ্গে লিখি। সরকারের জবাবদিহিতা চাই। পুলিশকে প্রশ্ন করি। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার কথা বলি। হাজার মাইল দূরের কোনো সাংবাদিক আক্রান্ত হলে প্রতিবাদ করি।
কিন্তু সেই নীতির আসল পরীক্ষা হয় তখনই, যখন প্রতিবাদ করাটা অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে—যখন সাহায্যের প্রয়োজন থাকা মানুষটি হাজার মাইল দূরে নয়, আপনার কয়েক ফুট সামনে দাঁড়িয়ে থাকে।
কখনো কখনো একটি আঘাতের মতোই কষ্ট দেয় চারপাশের নীরবতা।
কারাগারের দরজার ওপাশের আমেরিকা
নিউ ইয়র্ক সিটি পুলিশের হেফাজতে আমার প্রায় একদিন ও একরাত কেটেছিল।
বহু বছর ধরে আমেরিকা নিয়ে সংবাদ লিখেছি। কিন্তু বন্দিজীবনের সেই কয়েকটি ঘণ্টা আমাকে আরেকটি আমেরিকার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল—যে আমেরিকা নিউ ইয়র্কের রাস্তায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করা অধিকাংশ মানুষের চোখের আড়ালে থেকে যায়।
একজন সাংবাদিক হিসেবে নোটবুক, ফোন আর ক্যামেরা নিয়ে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে অভ্যস্ত আমার কাছে হঠাৎ জীবনের সবচেয়ে সাধারণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলা ছিল বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা।
কোথায় বসবেন।
কখন চলবেন।
কখন ঘুমাবেন।
কখন টয়লেট ব্যবহার করবেন।
এমনকি তৃষ্ণার সময় এক গ্লাস পানি পাবেন কি না।
হেফাজতে আমি যে পরিবেশ দেখেছি, তা আমাকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে। আমার অভিজ্ঞতায় বন্দিদের ব্যবহারের টয়লেট যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন ছিল না। মৌলিক পরিচ্ছন্নতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অবস্থাও আমার কাছে উদ্বেগজনক মনে হয়েছে।
কিন্তু সেই রাতের সবচেয়ে জীবন্ত স্মৃতি লোহার শিক, দেয়াল কিংবা আমার হাতের হাতকড়া নয়।
আমার মনে সবচেয়ে বেশি গেঁথে আছে মানুষের পানির জন্য ডাক।
তৃষ্ণার্ত বন্দিদের বারবার পানি চাইতে শুনেছি।
একবার নয়।
বারবার।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এক গ্লাস পানি নিয়ে ভাবতে হয় না। কল খুললেই পানি আসে। অথচ বন্দিশালার ভেতরে দেখলাম, সেই অতি সাধারণ প্রয়োজনের জন্যও মানুষকে চিৎকার করে বলতে হচ্ছে—
'একটু পানি।'
সেই অভিজ্ঞতা আমার নিজের ঘটনার চেয়েও বড় একটি প্রশ্ন সামনে এনেছে—
কারাগারের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর একজন মানুষের প্রতি সমাজের মানবিক দায়িত্ব কতটুকু?
উত্তরটি খুব কঠিন হওয়ার কথা নয়।
কোনো অভিযোগ একজন মানুষের মানবিক মর্যাদা কেড়ে নিতে পারে না।
হাতকড়া কোনো রায় নয়
হেফাজতে যাওয়ার আগে 'দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ'—এই কথাটি সাংবাদিক হিসেবে অসংখ্যবার শুনেছি, লিখেছি।
কিন্তু কারাগারের ভেতর থেকে এই কথার অর্থ অন্য রকম মনে হয়।
হাতকড়া পরা একজন মানুষ কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত নাও হতে পারেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পরবর্তী সময়ে প্রত্যাহার কিংবা খারিজ হতে পারে। কিন্তু তার হাতে পরানো হাতকড়াটি বাস্তব। বন্দিশালাটি বাস্তব। অপমানটি বাস্তব। পরিবারের উদ্বেগও বাস্তব।
আর এখানেই রয়েছে আরেকটি বিপদ।
দূর থেকে কাউকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলতে দেখলে অনেকের কাছে সেই দৃশ্যটিই যেন তার অপরাধের প্রমাণ হয়ে ওঠে।
কিন্তু তা নয়।
গ্রেপ্তার মানেই দোষী সাব্যস্ত হওয়া নয়। অভিযোগ মানেই আদালতের রায় নয়।
আমেরিকার বিচারব্যবস্থার জন্য এই পার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের জন্যও তা কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
মুষ্টি দিয়ে সংবাদের সংশোধন হয় না
সাংবাদিকরা ভুলের ঊর্ধ্বে নন। আমাদেরও ভুল হতে পারে। তাই তথ্য যাচাই করা, অভিযোগ ও প্রতিষ্ঠিত সত্যের মধ্যে পার্থক্য রাখা, অভিযুক্ত বা সমালোচিত ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং ভুল হলে তা সংশোধন করা আমাদের দায়িত্ব।
সাংবাদিকতার প্রভাব রয়েছে বলেই এসব দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আরেকটি নীতিও সমানভাবে পরিষ্কার হওয়া দরকার—
ভয়ভীতি দেখানো কখনো সম্পাদনার হাতিয়ার হতে পারে না। সহিংসতা কখনো সংবাদের সংশোধনী হতে পারে না।
কেউ যদি মনে করেন কোনো সাংবাদিক ভুল সংবাদ প্রকাশ করেছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে তার প্রতিকারের বৈধ পথ রয়েছে। তিনি সংশোধনী চাইতে পারেন, প্রতিবাদলিপি পাঠাতে পারেন, বিপরীত তথ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেন কিংবা আইনসম্মত প্রতিকার চাইতে পারেন।
কিন্তু অস্বস্তিকর সংবাদ প্রকাশের জবাব ভয়ভীতি বা সহিংসতা দিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তথ্যের জবাব কখনো মুষ্টি দিয়ে দেওয়া যায় না।
একটি রাত আমাকে যা শিখিয়েছে
সেদিন আমি হোটেলে প্রবেশ করেছিলাম আমার বহু বছরের পরিচয় নিয়ে—
আমি একজন সাংবাদিক।
বের হয়েছিলাম হাতে হাতকড়া পরে।
সেই অভিজ্ঞতা এখন আমাকে প্রতিটি গ্রেপ্তারের সংবাদ অন্যভাবে পড়তে শেখায়। পুলিশের হাতে হাতকড়া পরা কোনো মানুষের ছবি দেখলেও এখন আমার দৃষ্টিভঙ্গি আগের মতো থাকে না।
প্রতিটি ছবির পেছনে একজন মানুষ আছেন।
প্রতিটি অভিযোগের বিপরীতে আরেকটি বক্তব্য থাকতে পারে, যা শোনা প্রয়োজন।
আর প্রতিটি কারাগারের দরজার পেছনে এমন একজন মানুষ রয়েছেন, যিনি অভিযোগ যা-ই হোক না কেন, মৌলিক মানবিক মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রাখেন।
বিশেষ করে যারা অপরাধ ও আদালতের সংবাদ করি, আমাদের হয়তো এই সত্যটি আরও বেশি মনে রাখা প্রয়োজন।
আমাদের দায়িত্ব শুধু কে গ্রেপ্তার হয়েছেন, সেটি লেখা নয়।
আমাদের জানতে হবে—কী ঘটেছিল, প্রমাণ কী বলছে, অভিযোগকারী কী বলছেন, অভিযুক্ত কী বলছেন এবং তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসলে কী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এটাই সাংবাদিকতা।
আমার কলম বেঁচে আছে
একসময় আমার হাত থেকে হাতকড়া খুলে গেছে।
কিন্তু আমার কলম রয়ে গেছে।
২০২৫ সালের ২৪ আগস্টের স্মৃতি আমি মুছে ফেলতে পারব না। সংঘর্ষের ভয়, সাহায্যের জন্য ফোন করার পর নিজেকেই পুলিশের হেফাজতে আবিষ্কারের অসহায়ত্ব, চারপাশের নীরবতা, বন্দিশালার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ কিংবা এক গ্লাস পানির জন্য তৃষ্ণার্ত মানুষের আকুতি—কোনোটিই সহজে ভুলে যাওয়ার নয়।
কিন্তু আমি এসব নিয়ে লিখতে পারি।
হয়তো এখানেই সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি।
একজন সাংবাদিকের সমালোচনা হতে পারে।
তাকে হুমকি দেওয়া হতে পারে।
তার ওপর হামলা হতে পারে।
এমনকি তার হাতে হাতকড়াও পরানো হতে পারে।
কিন্তু সাংবাদিকতা তখনই বেঁচে থাকে, যখন হাতকড়া খুলে যাওয়ার পর সেই সাংবাদিক আবারও কলমটি হাতে তুলে নেওয়ার সাহস রাখেন।
সেই রাতে আমার দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছিল।
কিছু সময়ের জন্য আমার মনে হয়েছিল, যেন আমার কলমেও হাতকড়া পরানো হয়েছে।
কিন্তু তা হয়নি।

ছাবেদ সাথী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক, সাংবাদিক ও আমেরিকান রাজনৈতিক বিশ্লেষক। তিনি বাংলা প্রেস-এর সম্পাদক।
সম্পাদকের নোট: এটি লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে লেখা একটি মতামতধর্মী কলাম। ২০২৫ সালের ২৪ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অন্য ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে এখানে উল্লিখিত বক্তব্যগুলো লেখকের নিজস্ব বর্ণনা ও অভিযোগ; এগুলোকে কোনো আদালতের অপরাধসংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি