আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন

জাতীয় ডেস্ক : বঙ্গবন্ধু কন্যা-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৭ সালের এই দিন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
৭৫-এ পরিবারের সব সদস্যকে হারানোর পর, শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলছেন শেখ হাসিনা। দেশকে এগিয়ে নিতে কখনো হয়েছেন কঠোর প্রশাসক, আবার মানুষকে ভালোবেসে পেয়েছেন মানবিকতার মায়ের স্বীকৃতি।
যার চোখে চোখ রেখে এগিয়ে চলেছে সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের দেশ; যার দৃঢ়তা সাহস দেখায় সব বাধা পেরুবার, তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
তিনি কেবল রাজনৈতিক দলের অভিভাবকই নন, দায়িত্বশীল প্রধানমন্ত্রী, সর্বোপরি একজন পরিপূর্ণ মানুষ তিনি। ৭৫-এ মা-বাবা, ভাই-বোনসহ প্রিয়জনদের হারিয়ে যখন ১৯৮১ সালে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা; ততক্ষণে পিছনে হাঁটছে দেশ। তবে, বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় শানিত রক্তে হতাশ করেনি, কন্যাও। শক্ত হাতে হাল ধরেন সংগঠনের।
২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবার পর, লাল-সবুজের ইতিহাস কেবলই এগিয়ে যাবার। এ এগিয়ে চলার পথে রয়েছে অর্থনৈতিক মুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন কিংবা সামাজিক-পরিবেশ উন্নয়ন। এসবের স্বীকৃতিও মিলেছে, বিশ্বনেতাদের কাছে।
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-মাদক কিংবা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেমন কঠোর বঙ্গবন্ধু কন্যা, ততটাই দৃঢ় দেশের সম্মান রক্ষায়। পদ্মা সেতুর মতো দুর্নীতির অভিযোগের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নেয়া, তাঁর পক্ষেই সম্ভব।
ক্ষমতা আর সীমানার দ্বন্দ্বে যখন বিশ্বব্যাপী মরছে মানুষ, ঠিক তখন লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে দেখিয়ে দেন, মানবতার পৃথিবী তো মানুষেরই জন্যে।
তবে এই চলার পথ কোমল ছিল না কখনই। ১৯বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরতে হয়েছে তাঁকে। তবুও বাবা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার দৃঢ়তায় এগিয়ে চলেছেন কন্যা শেখ হাসিনা। এগিয়ে যাবেন আরও, এমন কামনা মহান নেত্রীর জন্মদিনে।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি