আদিতমারীতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা
মামুনুর রশিদ (মিঠু),লালমনিরহাট থেকে : লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী রফিকুল আলমের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই বাছাই শেষে তার মনোনয়ন পত্রটি জেলা রিটার্নিং অফিসের বাছাই কমিটি বাতিল ঘোষনা করেছেন বাছাই কমিটি। পরে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী রফিকুল আলম তার মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন।
শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে জেলা রিটার্নিং অফিসের বাছাই কমিটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী রঠিকুল আলমের মনোনয়ন পত্রটি বৈধ ঘোষনা করেন। রফিকুল আলম আদিতমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক। তিনি সাপ্টিবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও সাপ্টিবাড়ি ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক।
জানা গেছে, আদিতমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের দলীয় তিন জনকে বাগিয়ে মনোনয়ন পান রফিকুল আলম। এ মনোনয়নকে কেন্দ্র করে রোববার(১০ ফেব্রুয়ারি) আদিতমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের কয়েক দফায় সংঘর্ষে উপজেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক ও ৩ পুলিশসহ ৩০ জন আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ১৪জনের নামসহ অজ্ঞতনামা দেড়শত আসামী করে একটি মামলা হয়েছে। যার কারনে জেলার সব থেকে উত্তেজনা পুর্ন নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করছে এ উপজেলায়। সেই আলোচিত মনোনয়নটি মঙ্গলবার বিকেলে বাতিল ঘোষনা করেন যাচাই বাছাই কমিটি। এ প্রার্থীর নিজ নামিও বিএডিস্#ি৩৯;র সরকারী সার বিক্রেতার লাইসেন্সটি (সনদ) ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ছোট ভাই রেজা উদ দৌলার নামে এফিডেভিট করে পরবর্তিতে তা বাতিল করেন। সেই লাইসেন্স মুলে গত ৬ ফেব্রুয়ারি সরকারী বাফার গোডাউন থেকে সার উত্তোলন করা হয়। নতুন করে এফিডেভিট না করে মনোনয়নের সাথে বাতিলকৃত এফিডেভিট পত্রটি সংযোজন করেন এ প্রার্থী। যা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আইন ১৯৯৮ এর ৮(জ) ধারা মতে অবৈধ বলে গন্য করেন বাছাই কমিটি। প্রার্থী রফিকুল আলম জানান, সরকারী সার ব্যবসার সনদপত্রটি ছোট ভাই রেজা উদ দৌলার নামে এফিডেভিট করে দেন। কিন্তু বাছাই কমিটি ওই এভিডেভিটটি বিধি সম্মত নয় উল্লেখ করে তার মনোনয়ন বাতিল করেছেন। তবে তিনি তার মনোনয়ন পত্র বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেন। আপিলের প্রেক্ষিতে জেলা রিটার্নিং অফিসের যাচাই-বাছাই কমিটি পুনরায় য্ধাসঢ়;চাই-বাছাই করে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষনা করেন।
জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা জেলা নির্বাচন অফিসার মঞ্জরুল হাসান জানান, প্রার্থীর সার ব্যবসার লাইসেন্সের(সনদ) এফিডেভিট পত্রটি বিধি সম্মত না হওয়ায় রফিকুল আলমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি তার মনোনয়ন পত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করলে পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই কমিটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে তার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষনা করা হয়। এ উপজেলায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক ইমরুল কায়েস ও জাতীয় পার্টির নিগার সুলতানা রানী চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি