৪ মে ২০২৬

১৮ দিনেও খোঁজ মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
১৮ দিনেও খোঁজ মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৮ দিনেও খোঁজ মেলেনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অনিক পালের। ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পারড্যু ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশি পিএচডি গবেষক অনিক পাল গত ৩ জুলাই ইন্ডিয়ানায় নিজ বাসার কাছে জন টি মায়ার্স ব্রিজ থেকে লাফিয়ে ওয়াবাশি নদীতে পড়ার পর নিখোঁজ হন। পশ্চিম লাফায়েত পুলিশের বরাত দিয়ে ‘দ্য লাফায়েত জার্নাল অ্যান্ড কুরিয়ার’ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। অনিক পাল পশ্চিম লাফায়েতের পারড্যু বিশ্ববিদ্যালয়ে ডক্টরেট করছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োকেমেস্ট্রি ও মলিক্যুলার বায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। পশ্চিম লাফায়েত পুলিশ লেফটেন্যান্ট জন এগার বলেছেন, নদীতে যে তরুণ ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তিনি অনিক পাল। এ বিষয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। ইন্ডিয়ানা পুলিশ ধারণা করছে, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে অনিক আত্মহত্যা করেছেন। নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত অনিক পালকে খুঁজে পায়নি ইন্ডিয়ানা স্টেট পুলিশ ও দমকল বাহিনীর ডুবুরিরা। ক্যাপ্টেন রবার্ট হ্যাইঞ্জ জানান, নদীটি বর্তমানে উত্তাল। ডুবুরিরা নিজেকে সামলে অনুসন্ধান চালাতে পারছেন না বলে ১১ জুলাই তল্লাশির সমাপ্তি ঘটানো হয়েছে। ওয়েস্ট লাফায়েত পুলিশ বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে থাকা অফিসার ৩ জুলাই স্থানীয় সময় রাত ২টা ৩০ মিনিটের সময় নদীতে এক তরুণকে ঝাঁপ দিতে দেখেন। এরপর উদ্ধারকর্মী ও পুলিশ সেদিন প্রায় ৯ ঘণ্টা কে-৯এস দিয়ে নদীতে এবং তীরে অনুসন্ধান চালায়। স্থানীয় শেরিফের পক্ষ থেকেও ছয় দিনের বেশি সময় ধরে ড্রোন ব্যবহার করে তল্লাশি চালানো হয়। অবশেষে ১১ জুলাই পুলিশ তল্লাশি অভিযান সমাপ্তি ঘোষণা করে। পুলিশ জানিয়েছে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়েও তারা অনিকের সন্ধান পাননি। তবে, অনিক পালের পরিবার মনে করে, তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন না। তারা বলছেন, অনিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তারা তার তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। বিপি।সিএস
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি