৬ মে ২০২৬

১৭ বছর পরও মায়ের পুরোনো কর্মচারীকে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
১৭ বছর পরও মায়ের পুরোনো কর্মচারীকে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাফতরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

এদিন সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি তেজগাঁও কার্যালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি ছিল তার প্রথম কর্মদিবস। কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মো. তারেক, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে জানান, কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে নিয়ম অনুযায়ী বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর অফিসের দিকে যাওয়ার সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন কর্মচারীর দিকে তার নজর যায়।

তাদের মধ্যে কেউ অফিস সহকারী, কেউ মালি, কেউ ড্রাইভার। একসময় তারা তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়কার কর্মচারী ছিলেন। নিরাপত্তা ও প্রটোকলের কারণে তারা দূরেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভাবছিলেন, এত বছর পর তিনি কি তাদের চিনতে পারবেন?


ঠিক সেই সময় দূর থেকে ভেসে আসে প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ, ‘তুই নূর না?’

মুহূর্তেই আনুষ্ঠানিকতার আবহ ভেঙে যায়। নূরুল আমিনসহ অন্যরা এগিয়ে আসেন। চোখে আনন্দ, মুখে বিস্ময়। প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি যে তাদের ভুলে যাননি, তা যেন স্পষ্ট হয়ে ওঠে সেই মুহূর্তে। রুমন জানান, নূরুল আমিন বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ড্রাইভার। একসময় তিনি অফিস সহকারী ছিলেন।

১৭ বছরের ব্যবধানেও তার নাম ও মুখ মনে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ক্ষমতার দূরত্ব পেরিয়ে স্মৃতির এই টানই হয়তো মানুষের প্রতি মানুষের সবচেয়ে বড় সম্মান।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পরও পুরোনো কর্মচারীদের চিনে নেওয়ার ঘটনাটি সেখানে উপস্থিত সবার নজর কাড়ে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবেও তিনি প্রথম কর্মদিবসে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি