৪ মে ২০২৬

১১৫ লিটার দুধ খালে ফেললেন মেয়র

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
১১৫ লিটার দুধ খালে ফেললেন মেয়র
সুলতানা মাসুমা, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়ার উপস্থিতিতে খালে ফেলা হয় ভেজাল দুধ। পানি মেশানোয় ১১৫ লিটার গরুর দুধ খালে ফেলেছেন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া। এ সময় দুধ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন তিনি। সোমবার (৬ জুন) দুপুরে পৌর শহরের চকবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন মেয়র। পৌরসভা কার্যালয় সূত্র জানায়, লক্ষ্মীপুরে শহরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা প্যাকেটজাত গুড়ো দুধের সঙ্গে পানিতে মিশিয়ে গরুর দুধ বলে বিক্রি করে আসছে। আবার কেউ কেউ দুধের সঙ্গে বাড়তি পানি মেশাচ্ছেন। এজন্য চকবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন মেয়র। এ সময় দুধ ব্যবসায়ী চররুহিতা গ্রামের মনির হোসেন, দক্ষিণ মজুপুর এলাকার মো. হারুন ও কালিরচর গ্রামের রিয়াদ হোসেনের ১১৫ লিটার দুধ পরীক্ষা করে ভেজাল পাওয়া যায়। পরে দুধগুলো রহমতখালী খালের পানিতে ফেলা হয়। তবে দুধ ব্যবসায়ী মনির হোসেনের দাবি, তিনি গ্রাম থেকে দুধ সংগ্রহ করে এনে বিক্রি করেন। গরুর দুধের সঙ্গে প্যাকেট গুড়া দুধ বা পানি মিশ্রণের বিষয়ে তার জানা নেই। অভিযানকালে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন ও স্যানেটারি ইন্সপেক্টর আবদুল্লাহ হিল হাকিমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বাংলাপ্রসকে বলেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভেজালরোধে অভিযান চালানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা প্রতারণা করায় ১১৫ লিটার দুধ নষ্ট করা হয়। এ নিয়ে সব দুধ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।’ বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি